সাকিব আল হাসানের এই এক গুণ নিন্দা, বিতর্ক সব উড়িয়ে দেন মাঠের নৈপুণ্যে। পাকিস্তানে ঐতিহাসিক সিরিজ জয়ের আনন্দে শান্ত-মুশফিকরা যখন প্রধান উপদেষ্টার কাছ থেকে সংবর্ধিত হচ্ছেন, তখন সাকিব বল করেই চলেছেন সুদূর ইংল্যান্ডের মাটিতে। কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপে সারের হয়ে খেলতে নেমে প্রথম ইনিংসে চার শিকার ধরেছিলেন। দ্বিতীয় ইনিংসে উইকেট নিলেন পাঁচটি। চেন্নাই-কানপুরের জন্য অনুশীলনটাও হলো জম্পেশ।
প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ২৭ মাসের বেশি সময় পর পাঁচ উইকেট বা ফাইফারের দেখা পেলেন সাবেক নম্বর ওয়ান। এ আনন্দ সবশেষ পেয়েছিলেন ২০২২ সালের মে মাসে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে। টনটনে তৃতীয় দিনের শেষ বিকেলে সাকিব চার উইকেট নিয়ে ধস নামিয়েছিলেন সমারসেটের দ্বিতীয় ইনিংসের। কাল শেষ দিনের সকালে ৭১ রানের দশম উইকেটের জুটি ভেঙে দিয়ে সাকিব তুলে নেন তার পঞ্চম উইকেট। এই ইনিংসে সাকিব ২৯.৩ ওভারে ৯৬ রান খরচায় নেন পাঁচ উইকেট। ১০৫ ম্যাচের প্রথম শ্রেণির ক্যারিয়ারে এ নিয়ে ২৫ বার পাঁচ উইকেট পেলেন সাকিব। আগের দিনই প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট ৩৫০ উইকেট পূর্ণ করেছিলেন সাকিব। ম্যাচে তার বোলিং কীর্তি দাঁড়ায় ৬৩.২-৮-১৯৩-৯। টেস্টের বাইরে ঘরোয়া প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে এর আগেও ৯ উইকেট পেয়েছেন, সেটা ২০০৪-০৫ মৌসুমে জাতীয় লিগে। খুলনা বিভাগের হয়ে সিলেটের বিপক্ষে ম্যাচে ১১৪ রানে নিয়েছিলেন ৯ উইকেট (৬/৭৯ ও ৩/৩৫)। তবে প্রথম ইনিংসে ২৪ বলে ১২ রান করলেও দ্বিতীয় ইনিংসে পাঁচ বল ক্রিজে থেকে রানের খাতা খোলার আগেই সাজঘরে ফিরতে হয়েছে সাকিবকে।