পাবনায় স্কুল শিক্ষিকাকে পিটিয়ে হত্যা

পাবনা সাঁথিয়া উপজেলার কাশীনাথপুরে এক স্কুল শিক্ষিকাকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে স্বামীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় নিহতের স্বামী জিয়াকে আটক করেছে পুলিশ। গত বুধবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে কাশীনাথপুর উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র সংলগ্ন জাপান টাওয়ারে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত স্কুল শিক্ষিকার নাম হাফসা খাতুন (৩০)। তিনি বেড়া উপজেলার কুশিয়ারা-বাগজান গ্রামের নজরুল ইসলামের মেয়ে এবং স্থানীয় স্কাইলার্ক স্কুলের শিক্ষিকা ছিলেন। অভিযুক্ত জিয়া আমিনপুর থানাধীন টাংবাড়ি গ্রামের হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক ডা. জাহিদ হোসেন খানের ছেলে। সাঁথিয়া থানার ওসি আনোয়ার হোসেন জানান, পারিবারিক কলহ থেকে এ ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় আসামি জিয়াকে রাতেই আটক করা হয়েছে।

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে পারিবারিক কলহের জেরে ঘুমন্ত বাবা আকতার হোসেনকে (৫২) কুপিয়ে হত্যা করেছে ছেলে সাকিব হোসেন (২৩)। গত বুধবার মধ্যরাতে হাজীগঞ্জ পৌরসভার টোরাগড় সরকার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। নিহত আকতার হোসেন চাঁদপুরের শাহরাস্তি উপজেলার উয়ারুক গ্রামের বাসিন্দা।

নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে তানজীলা আক্তার (১৮) নামে এক বাকপ্রতিবন্ধী কিশোরীর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার হাইজাদি ইউনিয়ন কাহিন্দী এলাকার নিজবাড়ির পাশের বাঁশঝাড় থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। নিহত তানজীলা হাইজাদি ইউনিয়নের কাহেন্দী গ্রামের সরফত আলীর মেয়ে।

শেরপুর সদর উপজেলার বলাইয়েরচর ইউনিয়নে জমি-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে সংঘর্ষে দুজন নিহত হয়েছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে ইউনিয়নের জঙ্গলদী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন একই এলাকার কালু খাঁর ছেলে লালু খাঁ (৫৭) এবং নহর খাঁর ছেলে মোগর খাঁ (৬৫)। সংঘর্ষে গুরুতর আহত হয়েছেন আরও অন্তত ১০ জন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জঙ্গলদী গ্রামের খাঁ বাড়ি ও সুতার বাড়ির মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। এরই জেরে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। শেরপুর সদর থানার ওসি জাহাঙ্গীর আলম দুজনের নিহতের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

[প্রতিবেদনটি তৈরিতে তথ্য দিয়েছেন পাবনা, শেরপুর, হাজীগঞ্জ (চাঁদপুর) ও আড়াইহাজার (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি।]