কৃষিতে সম্ভাবনার নতুন দুয়ার উন্মোচন করেছে বগুড়া মসলা গবেষণাকেন্দ্র উদ্ভাবিত বস্তায় আদা চাষ পদ্ধতি। পতিত জমিসহ বাড়ির আশপাশে ছায়াযুক্ত যেকোনো স্থানে এ পদ্ধতিতে আদা চাষ করা যায়।
৭ বছর আগে মসলা গবেষণাকেন্দ্র বস্তায় আদা চাষ পদ্ধতি উদ্ভাবন করলেও গত ২ বছর ধরে এ পদ্ধতিতে চাষাবাদ বেড়েছে। পতিত জায়গাসহ বাড়ির আশপাশেসহ বিভিন্ন ফলের বাগানে বস্তায় আদা চাষ করা যায়। জমিতে আদা চাষের চেয়ে বস্তায় চাষে খরচ কম, লাভ বেশি আবার মাটিবাহিত রোগের সংক্রমণ কম হয়। অতিবৃষ্টি বা বন্যায় ফসল নষ্ট হওয়ার ভয় থাকে না।
গাবতলী উপজেলার নেপালতলীর দক্ষিণ সরাতলী এলাকায় শাবাশ বাংলাদেশ কৃষি ফার্ম গড়ে তুলেছেন উদ্যোক্তা নুরুল ইসলাম। সাড়ে চার বিঘা জমিতে তিনি সাড়ে ১২ হাজার বস্তায় আদা চাষ করেছেন। প্রতি বস্তা থেকে ১ থেকে ৩ কেজি আদা পাবেন। পতিত জায়গাসহ লিচু ও লেবু বাগানে তিনি বস্তায় আদা রোপণ করেছেন। ভালো ফসলের আশা করছেন তিনি।
জাতভেদে প্রতি বস্তায় ১ থেকে ৩ কেজি পর্যন্ত ফলন পাওয়া যায়। বগুড়া মসলা গবেষণাকেন্দ্রের ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মাহমুদুল হাসান সুজা জানান, মসলা গবেষণা উদ্ভাবিত এ প্রযুক্তি বর্তমানে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে, জমিতে আদা চাষ করলে রোগ দেখা দিলে গোটা জমির ফসল নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা থাকে। বস্তায় আদা চাষ করলে রোগাক্রান্ত হলে ওই বস্তায় সীমাবদ্ধ থাকে, এতে করে অন্য বস্তায় সংক্রমণ হওয়ার সম্ভাবনা নেই।