অন্তত একটি জয়ের লক্ষ্য নিয়ে বিশ্বকাপে যাচ্ছে বাংলাদেশ

বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল প্রথম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলে ২০১৪ সালে। সেটা ঘরের মাঠে, সিলেটে অনুষ্ঠিত হয়েছিল সবগুলো ম্যাচ। তারপর আরও কয়েকটি আসরে অংশ নিয়েছে। কিন্তু এখনও মূল পর্বে জয় অধরা। এবারের আসরটি হওয়ার কথা ছিল ফের ঘরের মাঠেই। কিন্তু নিরাপত্তার কারণে সেটা সরে গেছে সংযুক্ত আরব আমিরাতে।

দীর্ঘদিন থেকেই বাংলাদেশে হবে জানা থাকায়, প্রস্তুতিটাও ছিল সেভাবেই নেওয়া। কিন্তু শেষ সময়ে ভেন্যু বদলে যাওয়ায় কৌশলেও আনতে হয়েছে বদল। শ্রীলঙ্কায় গিয়ে এ দলের বিপক্ষে ৪-১ ব্যবধানে সিরিজ জিতে এসেছে বাংলাদেশ ‘এ’ দল। ঐ দলের আড়ালে মূলত খেলেছে জাতীয় দলই। মূলত ছিল বিশ্বকাপের প্রস্তুতি নেওয়া।

সংবাদ সম্মেলনে অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি।

নিগার সুলতানা জ্যোতির নেতৃত্বে আজ বাংলাদেশ নারী দল উড়াল দেবে আরব আমিরাতের উদ্দেশ্যে। তার আগে আজ মিরপুরে হয়ে গেছে দলীয় ফটোসেশন। তারপর মুখোমুখি হন গণমাধ্যেমের। সেখানেই জানান, অন্তত একটি জয়ের লক্ষ্য নিয়ে খেলতে যাচ্ছেন বিশ্বকাপে।

এক প্রশ্নের জবাবে জ্যোতি বলেন, ‘প্রথমত ম্যাচ জিততে চেষ্টা করব। ২০১৪ ছাড়া একটা বিশ্বকাপেও আমরা একটি ম্যাচও জিততে পারিনি। ভালো ক্রিকেট খেলেছি। তবে ভালো ক্রিকেট খেলার কোনও মানে নাই, যদি আপনি ম্যাচ জিততে না পারেন। প্রথমত চাই ম্যাচ জিততে। দ্বিতীয়ত যখন আমরা ফ্লো পাব, আমার কাছে মনে হয় আমাদের যে দল... অবশ্যই.. সেমিফাইনাল কে না খেলতে চায়।’

তিনি যোগ করেন, ‘আমাদের লক্ষ্য থাকবে সেভাবেই। আমরা জানি যে আমাদের ক্রিকেটটা যদি এক ধাপ এগিয়ে নিতে চাই, তাহলে বিশ্বকাপের চেয়ে বড় মঞ্চ আর হতে পারে না। ওখানে ভালো পারফরম্যান্স করলে শুধু আমরা না, যারা বাংলাদেশে ক্রিকেট খেলে, বাকি যে মেয়েরা... যারা বাংলাদেশের জার্সি গায়ে খেলতে চায় তাদের জন্য আমরা ভালো কিছু করতে চাই।'

এদিকে নারী টি-টোয়েন্টিতে এখন পর্যন্ত ৯৯টি ম্যাচ খেলেছেন জ্যোতি। সবকিছু ঠিক থাকলে নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচটিই তার শততম ম্যাচ হতে যাচ্ছে। এই ম্যাচটি নিয়ে তাই বাড়তি রোমাঞ্চ কাজ করছে জ্যোতির মাঝে।

জ্যোতি বলেন ,'প্রথম ম্যাচ স্পেশাল... তো প্রথম ম্যাচ জিততে চাই। আমার জন্য এটা সব থেকে স্পেশাল। আমার জন্য এবং আমার দলের জন্য এটা অনেক বড় একটা অর্জন হবে। অবশ্যই.. একজন প্লেয়ার হিসেবে একশ তম ম্যাচ, আমি এখনও জানি না খেলতে পারব কিনা। যদি আল্লাহপাক সুস্থ রাখেন তাহলে তো অবশ্যই খেলব। যদি খেলি, প্রথম লক্ষ্য এটাই থাকবে যেন জিততে পারি।'