গত শুক্রবার লেবাননের রাজধানী বৈরুতে এক হামলায় মধ্যপ্রাচ্যের শক্তিশালী সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর প্রধান হাসান নাসরাল্লাহকে হত্যা করেছে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী। গোষ্ঠীর প্রধানকে হত্যা করায় এর প্রতিশোধ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে হিজবুল্লাহ।
তবে হিজবুল্লাহর পাশাপাশি নাসরাল্লাহ হত্যায় প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছে ইরান। একইসঙ্গে এই হত্যাকাণ্ডে পাঁচদিনের শোকও ঘোষণা করেছে দেশটি। খবর আল জাজিরা।
হত্যাকাণ্ডের একদিন পর প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি দেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। তিনি বলেন, হিজবুল্লাহ নেতা হাসান নাসরাল্লাহর মৃত্যু ‘প্রতিশোধহীন’ যাবে না। একইসাথে তিনি পাঁচ দিনের শোক ঘোষণা করেন।
আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি এই হত্যাকাণ্ডকে “মহান নাসরাল্লাহর শাহাদাত” বলে অভিহিত করেছেন। এছাড়া তাকে “একটি পথ এবং চিন্তাধারা” হিসাবেও বর্ণনা করেছেন যা অব্যাহত থাকবে।
এদিকে নাসারাল্লাহ হত্যার পর ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকেও সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে গোপন জায়গায় সরিয়ে নেয়া হয়েছে।
নাসরাল্লাহ হত্যাকাণ্ড হিজবুল্লাহর মতো ইরানের জন্যও একটি বড় ধাক্কা। এছাড়া ইরানি গণমাধ্যম জানিয়েছে, শুক্রবার বৈরুতে হওয়া ওই ইসরায়েলি হামলায় ইরানের বিপ্লবী গার্ডের একজন জেনারেলও নিহত হয়েছেন।
গত জুলাই মাসে সাবেক হামাস প্রধান ইসমাইল হানিয়েহ এবং এবার হিজবুল্লাহ প্রধান নাসারাল্লাহর এই হত্যাকাণ্ড সম্ভবত এই অঞ্চলকে আরও বিস্তৃত ও বিপজ্জনক সংঘাতের আরেক ধাপ কাছে নিয়ে গেল।
নাসারাল্লাহ হত্যায় ইরান কি পদক্ষেপ নেবে তা নির্ভর করছে আয়াতুল্লাহ খামেনি এখন ঠিক কী সিদ্ধান্ত নেন তার ওপর।