প্রথম ৩ ওভারেই ৫১ রান তুলে ফেলেছে ভারত। টেস্ট ইতিহাসে এটিই দ্রুততম দলগত ফিফটি। হাসানের প্রথম ওভারে জয়সোয়াল নিয়েছিলেন ১২ রান। খালেদের করা পরের ওভারে রোহিত মারেন দুই ছক্কা, যোগ হয় মোট ১৭ রান। তবে তৃতীয় ওভারে আরও চওড়া দুই ওপেনারের ব্যাট। রোহিত–জয়সোয়ালরা হাসানের দ্বিতীয় ওভার থেকে নেন ২২ রান। তাতেই ভারতের রান তিন ওভারেই পঞ্চাশ পেরিয়ে যায়।
সেই রেকর্ডের পরই এলবিডব্লিউয়ের শিকার হন রোহিত। কিন্তু রিভিউ নিয়ে বেঁচে যান। মিরাজের চতুর্থ বলটি আঘাত হেনেছিল রোহিত শর্মার প্যাডে। বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের এলবিডব্লুর আবেদনে সাড়া দেন আম্পায়ার। কিন্তু রিভিউ নিয়ে বাঁচেন রোহিত। তবে পরের বলেই তাকে বোল্ড করেন মিরাজ।
১১ বলে ২৩ রান করে আউট হয়েছেন ভারত অধিনায়ক। ১ উইকেট হারিয়ে ভারতের রান ৫৫। এই রান ভারত করেছে মাত্র ৪ ওভারে।
অবশ্য তৃতীয় ওভারের প্রথম বলেই আউট ছিলেন রোহিত শর্মা। কিন্তু বাংলাদেশের কেউ আবেদনই করলেন না। হাসান মাহমুদের বল রোহিতের ব্যাটের গোড়ার অংশ লেগে উইকেটকিপার লিটন দাসের হাতে যায়। বোলার, কিপার কেউই ক্যাচের আবেদন করেননি। আম্পায়ারও চুপ। শুধু কাভার অঞ্চল থেকে মেহেদী হাসান মিরাজই বলেছেন, কিছু একটা শব্দ শুনেছেন। পরে স্নিকোয় তাঁর কথার সত্যতা মেলে। বল লেগেছিল রোহিতের ব্যাটে।