ভারতের তরফ থেকে সংবাদ সম্মেলনে এসেছিলেন বরুণ চক্রবর্তী। ৩ বছর পর জাতীয় দলে ফিরেছেন। এই ফেরার প্রক্রিয়ায় তাকে বোলিং অ্যাকশন বদলাতে হয়েছে। বছরের পর বছর আইপিএল, টিএনপিএল এর মত ঘরোয়া প্রতিযোগিতায় ভাল করতে হয়েছে। সেই সঙ্গে প্রত্যাশাহীন ভাবে সুযোগের অপেক্ষা করতে হয়েছে। তারপর একাদশে সুযোগ মিলল।
অন্যদিকে ১৪ মাস পর টি-টোয়েন্টি দলে ফিরতে মেহেদী হাসান মিরাজকে কিছুই করতে হয়নি। সাকিব আল হাসান অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন আর নির্বাচকরা টেস্টে ভাল করা মিরাজকে টি-টোয়েন্টিতেও দলে নিয়েছেন। বাংলাদেশের অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত যথার্থই বলেছেন যে পার্থক্যটা ঘরোয়া ক্রিকেটের মানের।
বাংলাদেশ অধিনায়ক বলেছেন, 'পার্থক্যটা দক্ষতার, মানসিকতার। দেশে আমরা যে উইকেটে খেলে সেগুলো ১৪০ রানের উইকেট, সেই খেলাটা হয়তো আমাদের ব্যাটসম্যানরা জানে। কিন্তু ১৮০ রান করার খেলাটা আমাদের জানা নেই। আমি সব দোষ উইকেটকে দিচ্ছি না, তবে আমরা এভাবেই খেলে আসছি। কোন কিছু না বদলালে কিছুই আসলে বদলাবে না।'
গোয়ালিওরের নতুন স্টেডিয়ামের উইকেটও শান্ত'র কাছে কঠিন কোন কিছু মনে হয়নি, 'উইকেট একটু ধীর গতির ছিল, এতটাও না, সামান্য। এটা অ্যাডজাস্টেবল।' এমনকি অভিষেকেই মেডেন ওভার নেয়া মায়াঙ্ক যাদবকেও খুব ভয়াবহ মনে হয়নি, 'মায়াঙ্ক ভাল বোলার, তবে আমাদেরও ভাল পেসার আছে যাদের বিপক্ষে আমরা নেটে খেলি।'
মিরাজ এবং পারভেজ হোসেন ইমনকে নিয়ে এখনই বলার সময় আসেনি, ১০-১৫টা ম্যাচ পরে তাদের মূল্যায়ন করতে পারবেন বলে জানিয়েছেন অধিনায়ক।
অন্যদিকে বরুণ চক্রবর্তী এসে ৩ বছর পর ফিরে ৩ উইকেট নেয়ার কৃতিত্ব দিলেন ক্রমাগত ঘরোয়া ক্রিকেট খেলে যাওয়াকে, 'আমাদের ঘরোয়া ক্রিকেটটা এতটাই প্রতিযোগিতামূলক আর প্রতিদ্বন্দিতামূলক, সারা বছর এক দল অন্য দলের বিপক্ষে খেলে যে আন্তর্জাতিক পর্যায় পর্যন্ত আসতে আসতে সবাই তৈরি হয়ে যায়। আইপিএল, টিএনপিএলের বাইরেও বিজয় হাজারে ট্রফি,মুশতাক আলি ট্রফি...অনেক খেলা। খেলতে খেলতেই আমার প্রস্তুতি হয়েছে।'
দুই দলের মানের পার্থক্যটা এখানেই।