সাভার থানা পুকুর থেকে কলেজছাত্রের লাশ উদ্ধার 

সাভার মডেল থানার পুকুরে সাঁতার শিখতে গিয়ে নিখোঁজ কলেজ ছাত্রের লাশ উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা। নিখোঁজের ৩ ঘণ্টা পর মঙ্গলবার (৯ অক্টোবর) বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। এর আগে দুপুর দেড়টার দিকে তিনি নিখোঁজ হন।

নিহত কলেজ শিক্ষার্থীর নাম আব্দুল্লাহ নেওয়াজ তুষিন (১৯)। তিনি সাভার পৌর এলাকার সোবহানবাগ মহল্লার নুর ইসলামের ছেলে এবং সাভার সরকারি কলেজের এইচএসসি প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী।

নিহতের সহপাঠীরা জানান, আব্দুল্লাহ নেওয়াজ তুষিন নৌবাহিনীতে চাকরির জন্য সাঁতার শিখতে সাভার থানার পুকুরে আসে। পরে দুপুর দেড়টার দিকে সে পুকুরে একাই নামলে পানিতে তলিয়ে যায়। এসময় থানার ঘাটে থাকা দুই শিশু আব্দুল্লাহকে তলিয়ে যেতে দেখে পুলিকে খবর দেন।

এর আগে মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলা প্রশাসন কর্তৃক মাধ্যমিক শিক্ষার্থীদের নিয়ে থানার পুকুরে সাঁতার প্রতিযোগিতার আয়োজন করে।

জানতে চাইলে সাভার উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. লিয়াকত আলী জানান, ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত মাধ্যমিক পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের মঙ্গলবার সাঁতার প্রতিযোগিতা ছিল। দুপুর সাড়ে ১২টার সময় আমাদের ছেলেদের নিয়ে চলে এলে দেড়টার সময় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার সাথে আমাদের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই।

সাভার ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার নুরুল ইসলাম জানান, শিক্ষার্থীদের সাঁতার প্রতিযোগিতা চলাকালীন সময় আমরা সেখানে ছিলাম। আমরা চলে আসার পর ওই ছেলে সাঁতার শিখতে গেলে এ ঘটনা ঘটে। ওই শিক্ষার্থীকে উদ্ধারের জন্য টঙ্গী ফায়ার স্টোশনের ডুবুরি দলের সদস্যদের খবর দেওয়া হয়েছে।

এদিকে খবর পেয়ে টঙ্গী ফায়ার স্টেশনের ডুবুরি দলের ইনচার্জ আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন, কলেজ শিক্ষার্থী নিখোঁজের খবর পেয়ে ডুবুরি দলের চারজন সদস্য ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় ১ ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে ওই শিক্ষার্থীর লাশ উদ্ধার করেছে।

সাভার মডেল থানার এসআই মিজানুর রহমান মিজান বলেন, ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা প্রায় ১ ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে নিখোঁজ শিক্ষার্থীর লাশ উদ্ধার করে। প্রাথমিকভাবে জানা যায়, সাঁতার শেখার জন্য আব্দুল্লাহ একাই এসেছিল। তবে ঘটনাটি আরও তদন্ত করা হবে বলে জানান তিনি।