এক নো বোলেই ঘুরে দাঁড়ায় ভারত, থেমেছে ২২১ রানে

সকালের সূর্য সারাদিনের পূর্বাভাস দিয়ে যায়। কথাটা ভারত আজ ফের প্রমাণ করেছে। যদিও তাসকিন আহমেদের আটোসাঁটো বোলিং আর তানজিম সাকিবের গতির ঝড় তা থামিয়ে দিয়েছিল। কিন্তু মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের একটি নো বোলেই মোমেন্টাম ফিরে পায় সূর্যকুমার যাদবের দল। পাওয়ারপ্লেতে তিন উইকেট হারালেও রিংকু সিং আর নীতেশ রেড্ডির ঝড়ে ঘুরে দাঁড়ায় তারা। শেষে রিয়ান পারাগ ও হার্দিক পান্ডিয়াও এগিয়ে নিয়ে বাংলাদেশকে দিয়েছেন ২২২ রানের লক্ষ্য।

সূর্যকুমার যাদব বেশি কিছু করতে পারেননি। ৮ রানেই তাকে প্যাভিলিয়নে ফেরত পাঠান মোস্তাফিজুর রহমান। কিন্তু এরপর থেকেই ছক্কার ঝড় তুললেন নীতিশ রেড্ডি আর রিংকু, যে ঝড়ে বাংলাদেশের স্পিনাররা শুধু উড়লেন।

সূর্যকুমার যাদব বেশি কিছু করতে পারেননি। ৮ রানেই তাকে প্যাভিলিয়নে ফেরত পাঠান মোস্তাফিজুর রহমান। কিন্তু এরপর থেকেই ছক্কার ঝড় তুললেন নীতিশ রেড্ডি আর রিংকু, যে ঝড়ে বাংলাদেশের স্পিনাররা শুধু উড়লেন।

দিল্লিতে সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে টস জিতে ভারতকে আগে ব্যাটিংয়ে পাঠানো বাংলাদেশ ৪১ রানের মধ্যে তিন উইকেট তুলে নিয়ে বেশ আনন্দেই ভাসছিলেন। কিন্তু সূর্যকে আউট করার পর অবস্থা আরো খারাপ করে তুললেন নীতিশ আর রিংকু। এক ওভার বল করতে আসা মাহমুদউল্লাহ নো বল করে ছন্দটা তুলে দেন এই দুজনের হাতে। রিশাদ হোসেনের প্রথম ওভারে ২৪ রান তুলে নেন দুজনে।

প্রথম ৬ ওভারে ভারতের স্কোর যেখানে ছিল ৪৫, পরের ৪ ওভারে তা বেড়ে দাড়ায় ১০১। শেষপর্যন্ত মোস্তাফিজুর রহমান বল হাতে নিয়ে এক স্লোয়ার ডেলিভারিতে নীতিশ রেড্ডিকে আউট করে ঝড় থামিয়েছেন। ৩৪ বলে ৪ বাউন্ডরি ও ৭ ছক্কায় ৭৮ রান করে বিদায় নেন মাত্র দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি খেলতে নামা এই ডানহাতি। রিংকু পরে ২৬ বলে করেছেন ৫০। তিনি থেমেছেন ২৯ বলে ৫৩ রান করে।

শেষ দিকে অবশ্য মেরে খেলতে গিয়ে দ্রুত উইকেট হারিয়েছে ভারত। তাতে ভারত থেমেছে ৯ উইকেট হারিয়ে ২২১ রানে। শেষ বেলায় তানজিম সাকিব আরও একটি এবং রিশাদ হোসেইন তিনটি উইকেট আদায় করেছেন। যদিও দুজনেই খরচ করেছেন পঞ্চাশের অধিক রান খরচ করেছেন।

বাংলাদেশের এমন খরুচে দিনে হিসেবি বোলার তাসকিন আহমেদ। তিনি ৪ ওভারে মাত্র ১৬ রান খরচায় নিয়েছেন ২ উইকেট। এছাড়া মোস্তাফিজ ৩৬ রান খরচায় নিয়েছেন দুটি। মেহেদি মিরাজ ৩ ওভারে ৪৬ রান দিয়ে ছিলেন উইকেট শূন্য।