বিশ্বসমাদৃত ত্বরিকা-ই-মাইজভাণ্ডারীয়ার উজ্জ্বল নক্ষত্র বিশ্বঅলি শাহানশাহ্ হযরত মাওলানা শাহ্ সুফি সৈয়দ জিয়াউল হক মাইজভাণ্ডারী (কঃ)-এর ৩৬তম (২৬ শে আশ্বিন) ওরস শরিফ মাইজভাণ্ডার শরিফ ‘দরবার-ই গাউসুল আযম মাইজভাণ্ডারী’র গাউসিয়া হক মন্জিলে উদযাপিত হচ্ছে।
শুক্রবার (১১ অক্টোবর) বাদ ফজর রওজা শরিফ গোসল ও গিলাফ চড়ানোর মাধ্যমে ওরস শরিফের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। রাত দশটায় কেন্দ্রিয় আলোচনা ও মিলাদ মাহ্ফিল অনুষ্ঠিত হবে। মাহফিলে আখেরি মোনাজাত পরিচালনা করবেন গাউসুল আযম মাইজভাণ্ডারী’র প্র-প্রপৌত্র, গাউসিয়া হক মন্জিলের সাজ্জাদানশীন, আওলাদে রাসূল হযরত আল্লামা শাহ্সুফি সৈয়দ মোহাম্মদ হাসান মাইজভাণ্ডারী (মঃ) ।
পবিত্র ওরস সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে এন্তেজামিয়া কমিটি সকল প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। ফটিকছড়ি উপজেলা প্রশাসন উরস শরিফ সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে সম্পন্ন করা, দেশ-বিদেশ হতে আগত আশেক-ভক্ত ও জায়েরীনদের সুবিধার্থে গাড়ি পার্কিংয়ের ব্যবস্থা, যানবাহন নিয়ন্ত্রণ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েনের ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।
ওরস শরিফ উপলক্ষে ‘শাহানশাহ্ হযরত সৈয়দ জিয়াউল হক মাইজভাণ্ডারী (কঃ) ট্রাস্ট’এর গৃহীত ৮ দিনব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে প্রথম দিবস ৪ অক্টোবর শুক্রবার: ‘মাইজভাণ্ডারী গাউসিয়া হক কমিটি বাংলাদেশ’ কেন্দ্রিয় পর্ষদ নিয়ন্ত্রণাধীন শাখা কমিটি সমূহের ব্যবস্থাপনায় স্ব স্ব এলাকার মসজিদে বাদ জুম’আ কুরআন তেলাওয়াত ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠান, দ্বিতীয় দিবস ৫ অক্টোবর শনিবার: ট্রাস্ট মিলনায়তনে ‘পবিত্র কোরআন ও হাদিসের বিশ্বজনীন দৃষ্টিভঙ্গি’ শীর্ষক সেমিনার, তৃতীয় দিবস ৬ অক্টোবর রবিবার: ট্রাস্ট নিয়ন্ত্রণাধীন স্ব স্ব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শাহানশাহ্ হযরত সৈয়দ জিয়াউল হক মাইজভাণ্ডারীর (কঃ) জীবনী আলোচনা, র্যালি ও অন্যান্য অনুষ্ঠানমালা,
চতুর্থ দিবস ৭ অক্টোবর সোমবার: ‘মাইজভাণ্ডারীয়া ত্বরিকা’র সম্মানিত খলিফাগণের আওলাদদের সাথে মতবিনিময় সভা, পঞ্চম দিবস ০৮ অক্টোবর মঙ্গলবার: ট্রাস্ট নিয়ন্ত্রণাধীন স্ব স্ব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বৃক্ষরোপণ ও স্ব স্ব প্রতিষ্ঠান পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি এবং ছাত্র-ছাত্রীদের নীতি নৈতিকতা বিষয়ক বিভিন্ন বিষয় আলোচনা, ষষ্ঠ দিবস ১০ অক্টোবর বৃহস্পতিবার: ফটিকছড়ি উপজেলার এতিমখানাসমূহের ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে একবেলা খাবার সরবরাহ,
সপ্তম দিবস ১১ অক্টোবর শুক্রবার: উপদেশমূলক, দিক-নির্দেশনা সম্বলিত প্রচার, নগরের মুরাদপুর হতে দরবার শরিফ গেইট পর্যন্ত বিটিআরটিসি’র দিনব্যাপী বাস সার্ভিস, বিশুদ্ধ পানীয় জলের ব্যবস্থা করা হয়েছে।