শফিকুর রহমান কিরণ

বিসর্জনের আগ পর্যন্ত দলীয় নেতাকর্মীসহ পূজামণ্ডপ মনিটরিং করে যাব

হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজায় প্রতিটি পূজামণ্ডপে নিরাপত্তা বজায় রাখতে দলীয় নেতা-কর্মীদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন শরীয়তপুর জেলা বিএনপির সভাপতি ও কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য শফিকুর রহমান কিরণ।

জেলা বিএনপির পক্ষ থেকে পূজামণ্ডপে নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে কিনা এ প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানিয়েছেন তিনি।

শফিকুর রহমান কিরণ বলেন, ‘আমি আমাদের দলীয় নেতা-কর্মীদের নির্দেশ দিয়েছি তারা যেন প্রতিটি পূজামণ্ডপে নিরাপত্তা দেন। তাছাড়া আমি সার্বক্ষণিক মনিটরিং করছি কোথাও কোন সমস্যা হচ্ছে কিনা? নড়িয়া উপজেলায় ৩৩টি ও সখিপুর থানায় ২টি মোট ৩৫টি পূজামণ্ডপ। এই ৩৫টি পূজামণ্ডপে আমি সবসময় যোগাযোগ রাখছি। এখন পর্যন্ত কোন রকমের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। বিসর্জন দেয়ার আগ পর্যন্ত দলীয় নেতা-কর্মীদের নিয়ে মনিটরিং করে যাব।‘

শুক্রবার (১১ অক্টোবর) রাতে নড়িয়া উপজেলা ও সখিপুর থানার পূজামণ্ডপ পরিবর্তনে এসে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘পূজামণ্ডপে ঘুরে দেখলাম হিন্দু ধর্মাবলম্বী ও মুসলমান মিলেমিশে আনন্দ উল্লাস করছে। গত বছরের চেয়ে এ বছর তারা ভালো উৎসব করছেন। আমি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে কথা বলে জেনেছি, কারও মাঝে ভয়ভীতির বালাই নেই। তারা নির্ভয়ে তাদের উৎসব পালন করে যাচ্ছেন। তাছাড়া আমি তাদের উপহার দিয়েছি। আমরা বিশ্বাস করি আগামীতে একত্রে পথ চলব। পূজা উৎসব যেন আগামীতে আরও বড় হয়।‘

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা কাজের মূল্যায়ন করি। কে কি দল করলো এবং কে কি করলো এটাকে মূল্যায়ন করি না। আমি রাজনীতি করি আমার দরজা উন্মুক্ত সবার জন্য। উৎসবে হিন্দু, মুসলিম, বৈদ্য, খ্রিস্টান এবং বিএনপি, আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টিসহ সবাই আসবে। উৎসব সবাই মিলেমিশে করবে।‘

৫ আগস্টের পর বিভিন্ন মামলার বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, মামলার ব্যাপারে আমি অভিজ্ঞ। মামলা নিয়ে কখনো মাথা ঘামাইনি। কারণ আমি ৩১টি মামলার আসামি। আমি আদালতে একাধিকবার হাজির হয়েছি। ২৯টি মামলা নিষ্পত্তি হয়েছে। ৫ আগস্টের পর যদি মামলা হয়ে থাকে তা সত্যতা যাচাই পূর্বক আদালতের বিচারক বিচার করবে। যদি কেউ দোষী হয় তাঁর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেবে। আর যারা নির্দোষ হবে তারা আদালত থেকে ছাড় পাবে।