বাফুফে নির্বাচন: সিনিয়র সহ-সভাপতি পদে রুহুল আমিন, চমক রেদওয়ান

কাজী সালাউদ্দিন বাফুফে থেকে সরে যাবার ঘোষণা দেবার পর সভাপতি পদে নির্বাচনের  ঘোষণা দিয়েছিলেন তরফদার রুহুল আমিন। কিন্তু তিন শেষপর্যন্ত সিনিয়র সহ-সভাপতি লড়ার জন্য মনোনয়নপত্র তুলেছেন। 

বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে তরফদার রুহুল আমিনের প্রতিষ্ঠান সাইফ পাওয়ারটেকের কর্মকর্তা নাজমুল করিম বাফুফে ভবনে এসে সিনিয়র সহ-সভাপতি পদে মনোনয়ন ক্রয় করেন। এরপর গণমাধ্যমে বলেন, ‘আমি স্যারের জন্য সিনিয়র সহ-সভাপতি পদে একটিই মনোনয়ন সংগ্রহ করেছি।’ গুঞ্জন ছিল, তরফদার সভাপতি ও সিনিয়র সহ-সভাপতি দুই পদে কিনবেন।

শেষমুহূর্তে চমক দেখিয়েছেন আব্দুল্লাহ আল ফুয়াদ রেদওয়ান। ময়মনসিংহ বিভাগীয় ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের এই কাউন্সিলর মনোনয়নপত্র নিয়েছেন বাফুফের সভাপতি পদে। তিনি সহ-সভাপতি পদেও মনোনয়নপত্র নিয়েছেন। তরফদার রুহুল আমিনের সভাপতি নির্বাচনের অন্যতম সমর্থক এই সংগঠক বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সাবেক পরিচালক বলেন, ‘তরফদার ভাই সভাপতি পদে কেন নির্বাচন করলেন না এটা উনি বলতে পারবেন। আমি সভাপতি ও সহ-সভাপতি দুই পদে মনোনয়ন সংগ্রহ করেছি। আমরা সুযোগ পেলে ফুটবল উন্নয়নের চেষ্টা করব।’ দুই পদে মনোনয়ন নেয়ার অর্থ সমঝোতার পথ খানিকটা খোলা। সেই দিকে ইঙ্গিত করে রেদোয়ান কয়েকবারই বলেছেন, ‘এখনো সময় আছে। আলোচনা হতে পারে। ফুটবলের স্বার্থে একক প্যানেল হলে সভাপতি পদ ছাড়তে রাজি রয়েছি।'

এর আগে দুপুরে সভাপতি পদে মনোনয়ন সংগ্রহ করেছেন তৃণমূলের সংগঠক শাহাদাত হোসেন জুবায়ের। ব্রাহ্মণবাড়িয়া এফসি’র কাউন্সিলর সভাপতি ও সদস্য দুই পদেই মনোনয়ন সংগ্রহ করেছেন। তাকে নিয়ে সব মিলিয়ে চারজন সভাপতি পদে মনোনয়ন কিনেছেন। বাকি তিনজন হলেন-তাবিথ আউয়াল, এ এফ এম মিজানুর রহমান চৌধুরী। 

সহসভাপতি পদে আজ মনোনয়নপত্র কিনেছেন সাবেক ফুটবলার শফিকুল ইসলাম মানিক, সৈয়দ রুম্মান বিন ওয়ালী সাব্বির, ছাইদ হাসান কানন। তরফদারকে সভাপতি প্রার্থী ঘোষণার অনুষ্ঠানে মঞ্চে ছিলেন মানিক, সাব্বিররাও। মানিক বাফুফের গত নির্বাচনে সভাপতি পদে প্রার্থী ছিলেন। ২০১৬ সালে সহসভাপতি পদে প্রার্থী ছিলেন সাব্বির। তাঁরা অভিন্ন সুরে বলেন, ফুটবলের জন্য কাজ করতে চান বলেই বাফুফেতে আসার ইচ্ছা।

বাফুফে নির্বাচনের মনোনয়নপত্র দাখিল ১৪ ও ১৫ অক্টোবর। ১৬ অক্টোবর যাচাই শেষে ১৯ ও ২০ অক্টোবর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করা যাবে। ২৬ অক্টোবর নির্বাচন। 

(বাফুফের কার্যকরী পরিষদ- সভাপতি ১ জন, সিনিয়র সভাপতি ১ জন, সহ সভাপতি ৪ জন, সদস্য ১৫ জন। বাফুফে নির্বাচনে ভোটার সংখ্যা ১৩৩)

যারা মনোনয়নপত্র নিয়েছেন_

সভাপতি 

মিজানুর রহমান চৌধুরী, তাবিথ আউয়াল, শাহাদত হোসেন ও আবদুল্লাহ আল ফুয়াদ রেদওয়ান

সিনিয়র সহ-সভাপতি

ইমরুল হাসান, তরফদার রুহুল আমিন ও মনির হোসেন 

সহ-সভাপতি 

নাসের শাহরিয়ার জাহেদী, ফাহাদ মোহাম্মদ আহমেদ করিম, ইকবাল হোসেন, সাব্বির আহমেদ আরেফ, ওয়াহিদ উদ্দিন চৌধুরী, রশিদ সামিউল ইসলাম, সৈয়দ রুম্মন বিন ওয়ালী সাব্বির, আবদুল্লাহ আল ফুয়াদ রেদওয়ান, শফিকুল ইসলাম মানিক, সত্যজিৎ দাশ রুপু, মিসবাহ আহমেদ বিন সামাদ চৌধুরী ও সৈয়দ হাসান কানন

সদস্য

তাসমিয়া রেজওয়ানা, শাখাওয়াত হোসেন ভূঁইয়া, ইয়াকুব আলী, মোঃ ইকবাল হোসেন, কামরুল হাসান হিলটন, গোলাম গাউস, জাকির হোসেন চৌধুরী, মোঃ নজরুল ইসলাম, এ বি এম মনজুরুল আলম দুলাল, মাহফুজা আখতার কিরণ, হাজী মোঃ টিপু সুলতান, এ এন এম আমিনুল হক মামুন, ইমতিয়াজ হামিদ, সত্যজিত দাশ রুপু, মনোষ চন্দ্র দাস, আমিরুল ইসলাম বাবু, বিজন বড়ুয়া, মাহমুদা খাতুন, মোঃ আমের খান, মোঃ এহলাস উদ্দিন, মোঃ শফিকুল আজম ভূঁইয়া, শরীফ উদ্দিন, মোঃ মনজুরুল করিম, মোঃ সাইফুল ইসলাম, মোঃ ইকবাল হাসান জনি, মাহী উদ্দিন আহমেদ সেলিম, মোঃ সাইফুর রহমান মনি, খন্দকার রাকিবুল ইসলাম, রওশন আখতার (ডেইজি জাফর), মোহিদুর রহমান মিরাজ, মোঃ মনজুরুল করিম, মোঃ শাহাদাত হোসেন, মোঃ আব্দুল হাফিজ, জসিম উদ্দিন খান খসরু, সৈয়দ মোঃ শহিদুল ইসলাম, মোঃ রিয়াজউদ্দিন, এ কে এম নুরুজ্জামান, মিসবাহ আহমাদ বিন সামাদ চৌধুরী, মোঃ সৈয়দ হাসান কানন, মোঃ মাহবুবুর রহমান, দেলোয়ার হোসেন, শাকিল মাহমুদ চৌধুরী, মোঃ শাহীন হাসান।