চাকরির জন্য কোন ভাষা শিখবেন

ভাষা শেখার বিকল্প নেই। বিদেশে উচ্চশিক্ষা বা চাকরির জন্য ভাষা শিখে না গেলে বিপদে পড়তে হয়। দেশের মানুষ বাংলা ছাড়া অধিকাংশরা শুধু ইংরেজি জানেন। অথচ ইউরোপ মহাদেশে বিশেষ করে জার্মানি, ফ্রান্স, সুইজারল্যান্ড, ইতালির নাগরিকরা একাধিক ভাষায় কথা বলতে পারেন। তারা ইংরেজি, স্প্যানিশ, ডুয়েচ, ফরাসি, পর্তুগিজ ইত্যাদি ভাষায় কথা বলেন। এই সব ভাষা স্কুলেই শেখানো হয়।

ইংরেজি : পৃথিবীর প্রায় ৩৮টি দেশের মাতৃভাষা ও ৫৯টি দেশের সরকারি ভাষা হলো ইংরেজি। আন্তর্জাতিক ভাষা হিসেবে স্বীকৃত। ইংরেজিকে বিজনেস ল্যাঙ্গুয়েজও বলা হয়। যোগাযোগের জন্য আদর্শ ভাষা হিসেবে ইংরেজির অবস্থান সবার ওপরে। তাই ইংরেজি শেখার বিকল্প নাই।

আরবি : সৌদি আরব, কাতার, আরব আমিরাত, বাহরাইন-সহ মোট ২৮টা দেশের অফিশিয়াল ভাষা আরবি। প্রতি বছর লাখ লাখ বাংলাদেশি মধ্যপ্রাচ্যে যান কাজ নিয়ে, যাদের আরবিতে কথা বলার দক্ষতা আবশ্যক থাকে। এছাড়াও শিক্ষা, হজ কিংবা ওমরাহ পালন, ভ্রমণ, চাকরি ও ব্যবসার প্রয়োজনে আরবি ভাষা শিখতে হয়।

মান্দারিন : চীনাদের মাতৃভাষার নাম মান্দারিন। বিশ্বে প্রায় ১২৮ কোটি ৪০ লাখ লোক মান্দারিন ভাষায় কথা বলেন। চীনে যোগাযোগ বা পড়াশোনা, ভ্রমণ, চাকরি কিংবা ব্যবসা সব ক্ষেত্রেই তারা নিজেদের ভাষাকে প্রাধান্য  দেন।

স্প্যানিশ : স্পেনের নাগরিকদের মাতৃভাষার নাম স্প্যানিশ। বিশ্বে প্রায় ২১টি দেশের মানুষ প্রধান ভাষা হিসেবে স্প্যানিশ ব্যবহার করেন। এর মধ্যে আর্জেন্টিনা, উরুগুয়ে, মেক্সিকো, প্যারাগুয়ে, চিলি, ভেনেজুয়েলা রয়েছে। দক্ষিণ আমেরিকার প্রায় পুরো মহাদেশ জুড়েই স্প্যানিশ মোটামুটি জাতীয় ভাষা। স্প্যানিশ ভাষা জানলে পর্তুগিজ ভাষাও বোঝা যায়।

ডয়েচ : ডয়েচ হলো জার্মানদের মাতৃভাষা। জার্মানি ছাড়াও অস্ট্রিয়া, বেলজিয়াম আর সুইজারল্যান্ডের ভাষাও ডয়েচ। বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম ভাষাগোষ্ঠী রয়েছে ডয়েচের। কর্মক্ষেত্রে জার্মান জানা কর্মীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। বিদেশে উচ্চতর শিক্ষা নিতে শিক্ষার্থীদের প্রছন্দের তালিকায় থাকে জার্মানি। কেননা এই দেশে বিনামূল্যে উচ্চতর শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ রয়েছে।