কোরআনের হাফেজের মর্যাদা

কোরআন পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ গ্রন্থ। মানবজাতির হেদায়েতের পথ প্রদর্শক। কোরআন এমন এক সম্মানিত গ্রন্থ, যে ব্যক্তিই এর সান্নিধ্যে আসবে, সেই সম্মানিত ও শ্রেষ্ঠ বলে বিবেচিত হবে। ওসমান (রা.) রাসুল (সা.) থেকে বর্ণনা করেন, ‘তোমাদের মাঝে সর্বশ্রেষ্ঠ সেই ব্যক্তি, যে কোরআন শিক্ষা করে এবং শিক্ষা দেয় (সুনানে আবু দাউদ)

কোরআন শুধু তার ধারককেই সম্মানিত করবে না বরং কোরআনের কারণে কোরআনের হাফেজের মা-বাবাকেও সম্মানিত করা হবে। রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি কোরআন পাঠ করবে এবং সে অনুযায়ী আমল করবে, কেয়ামতে তার মা-বাবাকে এমন এক মুকুট পরানো হবে, যার আলো সূর্যের আলোর থেকেও উজ্জ্বল হবে।’ (সুনানে আবু দাউদ)

ফেরেশতারা আল্লাহর বিশেষ সৃষ্টি। যারা কখনো আল্লাহর অবাধ্যতা করেন না। গুনাহে লিপ্ত হন না। তাই তারা আল্লাহর কাছে সম্মানিত ও মর্যাদাসম্পন্ন এক জাতি। এই ফেরেশতাদের মর্যাদাসম্পন্ন সঙ্গী হবেন সেসব লোক, যারা কোরআন পাঠে দক্ষ। আর এটা স্বীকৃত বিষয় যে, হাফেজরা কোরআন পাঠে দক্ষ হয়ে থাকেন। রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘কোরআন পাঠে দক্ষ ব্যক্তি উচ্চমর্যাদাসম্পন্ন ফেরেস্তাদের সঙ্গী হবে।’ (সহিহ মুসলিম)

রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘কোরআন কেয়ামতের দিন আল্লাহকে বলবে, হে আল্লাহ! একে (হাফেজকে) অলংকার পরিয়ে দিন। তখন তাকে সম্মানের মুকুট পরানো হবে। কোরআন আবার বলবে, হে আল্লাহ! তার প্রতি আপনি সন্তুষ্ট হয়ে যান। তাই আল্লাহ তার প্রতি সন্তুষ্ট হয়ে যাবেন। অতঃপর তাকে বলা হবে একেক আয়াত পড় এবং ওপরে উঠতে থাক। প্রতি আয়াতের বিনিময় একটি মর্যাদা বৃদ্ধি করা হবে।’ (জামে তিরমিজি)