আন্তঃজেলা ডাকাত দলের আট সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে মুন্সীগঞ্জ পুলিশ। এ সময় তাদের কাছে একটি বিদেশি পিস্তল, ২৮ রাউন্ড গুলি, মোবাইল ও ডেবিট কার্ড উদ্ধার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত ডাকাত সদস্যরা ঢাকা-মাওয়া ও ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে পর্যটক ও প্রবাসীদের টার্গেট করে ডাকাতিতে সক্রিয় ছিল। ডাকাতি মামলার সূত্র ও প্রযুক্তির সহায়তায় ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ ও মুন্সীগঞ্জ থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে মুন্সীগঞ্জে নিজ কার্যালয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান পুলিশ সুপার মুহাম্মদ শামসুল আলম সরকার।
পুলিশ সুপার জানান, চলতি বছরের ২৬ সেপ্টেম্বর মধ্যরাতে মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার মাওয়া ঘুরে বাড়ি ফেরার পথে ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কের শ্রীনগর যশুরগাঁও এলাকায় ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলাম হিলালির প্রাইভেট কার আটকে লাইসেন্সধারী পিস্তল, গুলি, মোবাইল, ডেবিট-ক্রেডিট কার্ড নিয়ে যায় ডাকাতরা। এ ঘটনায় গতকাল ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারা হলো পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালি উপজেলার টিলা এলাকার মৃত ফজল আলীর ছেলে কামাল পহলান ওরফে সিএনজি কামাল (৪২), বরিশালের মুলাদি উপজেলার খৈলারচর এলাকার মৃত হাচানের ছেলে আলমগীর সিপাহী (৪৫), একই জেলার হিজলা উপজেলার কালু দেওয়ানের ছেলে হেলাল দেওয়ান (৪৫), মাদারীপুরের কালকিনী উপজেলার নেছার উদ্দিন হালদারের ছেলে রাজিব হাওলাদার (৪৩), ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার শেখ সাত্তারের ছেলে মোখলেছ ওরফে সুমন (২৩)।
তিনি আরও জানান, পরদিন ২৭ সেপ্টেম্বর ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ঢাকাগামী লেনের মেঘনা ব্রিজের ওপর চায়না নাগরিক লিও ও ব্যবসায়ী তাজউদ্দিন সিহাব ডাকাতির শিকার হন। ওই ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার তেতৈইতলা এলাকার আ. রহিমের ছেলে রাহাত মিয়া (২১) ও নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার হারুনের ছেলে শাহিন (২২)। তারা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন বলে জানান পুলিশ সুপার।