ডেঙ্গু প্রতিরোধে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আরও সক্রিয় ভূমিকা থাকা উচিত ছিল বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সদ্য সাবেক সদস্য সচিব আমিনুল হক।
আজ সোমবার (২১ অক্টোবর) বিকেলে রাজধানীর পল্লবীর ৩ নম্বর ওয়ার্ডের পুরো এলাকাজুড়ে বিএনপির উদ্যোগে ডেঙ্গু প্রতিরোধে গণসচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণকালে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেছেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধ কিংবা দেশের যেকোনও দুর্যোগকালীন কঠিন সময়ে সরকারকেই দ্রুততার সঙ্গে কার্যকর ভূমিকা রাখতে হয়। কিন্তু বাস্তবিক অর্থে আমরা তাদের কাছ থেকে জনগণের চাহিদা পূরণে আশানুরূপ ভূমিকা দেখিনি। সরকারের সক্রিয় ভূমিকা থাকলে এত মৃত্যু, এত প্রাণহানী ঘটত না।
বিএনপি গণভিত্তিক একটি রাজনৈতিক দল উল্লেখ করে বিএনপি নেতা আমিনুল হক বলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান দেশনায়ক তারেক রহমানের নির্দেশে দলের সামর্থ্য অনুযায়ী আমরা ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুরু থেকে কাজ করে যাচ্ছি। ডেঙ্গুর প্রকোপ না কমা পর্যন্ত জনসচেতনতায় লিফলেট বিতরণ, রক্তদান কর্মসূচি ও সেবামূলক সকল কার্যক্রম আমাদের অব্যাহত থাকবে।
এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সাবেক সদস্য মাহাবুব আলম মন্টু, স্বেচ্ছাসেবক দল ঢাকা মহানগর উত্তরের সদস্য সচিব মহসিন সিদ্দিকী রনী, সাবেক কাউন্সিলর সাজ্জাদ হোসেন, পল্লবী থানা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক কামাল হুসাইন খান, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আশরাফ আলী গাজী, আনিছুর রহমান, মোতালেব হোসেন হাওলাদার, বিএনপি নেতা হাজী তৈয়ব, রুপনগর থানা বিএনপির আহ্বায়ক জহিরুল হক, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ইন্জি. মজিবুল হক, যুগ্ম আহ্বায়ক শেখ হাবিবুর রহমান হাবিব, অলিউল হাসানাত তুহিন, খায়রুল আলম নয়ন, যুবদল পল্লবী থানার সভাপতি হাজী নূর সালাম, সাধারণ সম্পাদক গোলাম কিবরিয়া, ৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি সভাপতি নজরুল ইসলাম নজু, রুপনগর থানা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক হাদিউল ইসলাম রাজীব, রুপনগর থানা ছাত্রদলের সভাপতি মনিরুজ্জামান রনি, পল্লবী থানা ছাত্রদলের সভাপতি জুয়েল খন্দকার, পল্লবী থানা মহিলাদল সভাপতি লাকী রহমান সাধারণ সম্পাদক সৈয়দা দিলারা পলি প্রমুখ।