২০২৩ সালের এপ্রিলে দুর্নীতি, জালিয়াতি ও অনিয়মের দায়ে ফিফার নিষেধাজ্ঞা নেমে এসেছিল বাফুফের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবু নাঈম সোহাগের ওপর। এরপর বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনও তাকে আজীবন নিষিদ্ধ করে।
তবে এই নির্বাচনে বারবারই ফুটবল অঙ্গনের মানুষদের কাছে পৌঁছেছেন সহধর্মিনী তাসমিয়া রেজোয়ানার জন্য সদস্য পদে ভোট চাইতে। এমনকি নিষেধাজ্ঞাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে নির্বাচনের দিন ভোটকেন্দ্রের ফটকে দাঁড়িয়ে ক্যাম্পেইন করেন।
বাফুফের কর্তাদের নাকের ডগায় সোহাগ প্রায় পুরোটা সময় ভোটারদের বিব্রত করেছেন। এ নিয়ে বাফুফেকে কোন ব্যবস্থাই নিতে দেখা যায়নি। ফিফা ও এএফসি থেকে আসা দুই পর্যবেক্ষকের উপস্তিতিতে সোহাগের এরকম আচরণে অনেকেই বিস্মিত হলেও বাফুফে তাকে সরাতে কোন ব্যবস্থাই নেয়নি। নির্বাচন কমিশনও সোহাগের ব্যাপারে রহস্যজনকভাবে থেকেছেন নিরব!
প্রধান নির্বাচন কমিশনকে যখনই সোহাগের উপস্থিতির বিষয়ে প্রশ্ন করা হয়েছে, তখনই তিনি বলেছেন, কোনো আনুষ্ঠানিক অভিযোগ না পেলে নির্বাচন কমিশনের কিছুই নাকী করার নেই।
আর বাফুফের সাধারণ সম্পাদক ইমরান হোসেন দিয়েছেন দায়সাড়া উত্তর। ফিফা ও এএফসির পর্যবেক্ষকদের সঙ্গে কথা বলেই তারা কোনো ব্যবস্থা নেননি এমন কথা বলেছেন তুষার।