জাপানে নির্বাচন

সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি কোন দল, সরকার গঠন নিয়ে অনিশ্চয়তা

জাপানের পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষের নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত করতে পারেনি কোনো দল। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শিগেরু ইশিবার ক্ষমতাসীন জোটকেও প্রত্যাখ্যান করেছে দেশটির ভোটাররা। এ অবস্থায় বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতির দেশটিতে সরকার গঠন নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।

সোমবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায় ব্রিটিশ বার্তাসংস্থা রয়টার্স।

প্রতিবেদনে বলা হয়, জাপানের পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ ডায়েটে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শিগেরু ইশিবার লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) ও তাদের শরিক কোমেইতো মিলে পেয়েছে ২১৫টি আসন, যেখানে বিরোধীরা পেয়েছে ২৩৫টি আসন। নিম্নকক্ষের নিয়ন্ত্রণ পেতে অন্তত ২৩৩টি আসনের প্রয়োজন হয়।

এলডিপি ও তাদের শরিক দলগুলোর আগের বারের চেয়ে আসনসংখ্যা কমেছে। এর আগে পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষে তাদের আসনসংখ্যা ছিল ২৭৯। তহবিলজনিত কেলেঙ্কারি ও জীবনযাপন ব্যয়জনিত সংকটকে কেন্দ্র করে ভোটারদের অনেকে তাদের প্রত্যাখ্যান করেছেন।

ক্ষমতাসীন জোটের একাধিক সূত্র সোমবার কিয়োডো নিউজকে জানিয়েছে, আগামী ১১ নভেম্বর একটি বিশেষ সংসদীয় অধিবেশনে কে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নেবেন তা নিয়ে ভোট অনুষ্ঠিত হতে পারে।

এলডিপির নতুন নেতা শিগেরু ইশিবা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেয়ার আগে আগাম নির্বাচনের ঘোষণা দিয়েছিলেন। কিন্তু দল সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারানোয় এখন তার রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়েই অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।

সাংবিধানিক বিধি অনুযায়ী, সরকার গঠন করতে জোট গঠনের জন্য দলগুলো ৩০ দিন সময় পাবে। নির্বাচনে ছোট দলগুলোর অর্জনও উল্লেখযোগ্য। আলোচনায় তাদের ভূমিকাও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

সিডিপিজের নেতা ইয়োশিকো নোডা বলেছেন, বিদায়ীদের উৎখাত করার চেষ্টা করতে তিনি অন্য দলগুলোর সঙ্গে কাজ করবেন। যদিও বিশ্লেষকেরা বলছেন, সম্ভাবনাটি অনেক বেশি দূরবর্তী বিষয়।