অভিনয়ের ইচ্ছা থাকলেও ঘরেই থাকতেন মাসুদ আলী খান

বর্ণাঢ্য অভিনয় জীবন পার করলেও শেষ দিকে অভিনয়ে নিয়মিত ছিলেন না মাসুদ আলী খান। শেষ কয়েকটি বছর ঘরের মধ্যেই থাকতেন তিনি। কিন্তু অভিনয় করতে খুব ইচ্ছে করতো তার। বছর দুয়েক আগে এক সাক্ষাৎকারে এমন কথা জানিয়েছিলেন একুশে পদক প্রাপ্ত এই অভিনেতা।

আজ বৃহস্পতিবার (৩১ অক্টোবর) বিকেল ৪ টা ২০ মিনিটে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন অভিনেতা মাসুদ আলী খান। 

১৯২৯ সালের ৬ অক্টোবর মানিকগঞ্জের পারিল নওধা গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন মাসুদ আলী খান। ১৯৫২ সালে উচ্চমাধ্যমিক ও  জগন্নাথ কলেজ থেকে বিএ পাস করেন মাসুদ আলী খান। ১৯৫৫ সালে তাহমিনা খানকে বিয়ে করেন তিনি। চাকরিজীবনে সরকারের নানা দপ্তরে কাজ করেছেন। ১৯৮৮ সালে বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের সচিব হিসেবে চাকরি থেকে অবসর নেন।

মঞ্চে অভিনয় দিয়ে যাত্রা শুরু হয় তার। এরপর ১৯৬৪ সালে ঢাকায় টেলিভিশন কেন্দ্র স্থাপিত হওয়ার পর নূরুল মোমেনের নাটক ‘ভাই ভাই সবাই’ দিয়ে ছোট পর্দায় অভিষেক। এরপর সাদেক খানের ‘নদী ও নারী’ দিয়ে বড় পর্দায় পথচলা শুরু করেন তিনি। পাঁচ দশকের বেশি সময় ধরে প্রায় ৫০০ নাটকে বৈচিত্র্যময় চরিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি।

‘কূল নাই কিনার নাই’, ‘এইসব দিনরাত্রি’, ‘কোথাও কেউ নেই’, ‘৫১বর্তী’, ‘৬৯’সহ সাড়া জাগানো বহু নাটক, সিরিজ ও সিনেমায় অভিনয় করেছেন তিনি।