ইনজুরি কাটিয়ে মাঠে ফিরেছেন নেইমার। আল হিলালের হয়ে খেলেছেন এএফসি চ্যাম্পিয়নস লিগে। তবে চলতি বছরে নেইমারকে আর ব্রাজিলের হয়ে খেলতে দেখা যাবে না। এই বছর ব্রাজিলের দুটি ম্যাচ আছে। ২০২৬ বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের সেই দুই ম্যাচের জন্য গতকাল রাতে ঘোষিত দলে নেই নেইমারের নাম। জায়গা হয়নি তরুণ স্ট্রাইকার এনদ্রিকেরও। দলে ফিরেছেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। চোটের জন্য সবশেষ ম্যাচে খেলা হয়নি তার।
বিশ্বকাপ বাছাইয়ের ম্যাচে আগামী ১৪ নভেম্বর ভেনেজুয়েলার বিপক্ষে মাঠে নামবে ব্রাজিল। ২০ নভেম্বর সেলেসাওদের প্রতিপক্ষ উরুগুয়ে। ব্রাজিলের ঘোষিত দলে চমক বলতে প্রথমবারের মতো নটিংহ্যাম ফরেস্টের ২২ বছর বয়সী সেন্টার ব্যাক মুরিলোর জায়গা পাওয়া। নেইমারকে দলে না রাখার বিষয়ে ব্রাজিল কোচ দরিভাল জুনিয়র বলেন, ‘নেইমারের সঙ্গে যা ঘটছে, আমরা সবকিছু কাছ থেকে অনুসরণ করছি। বিশেষ করে ব্রাজিলের হয়ে খেলার সময় তার চোটে পড়ার ঘটনার পর থেকে। গত দুই মাসে দুই-তিনবার তার সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। আমরা সবাই তার উন্নতির ব্যাপারে মনোযোগী। সে পুরোপুরি সেরে উঠেছে। কিন্তু মাঠে খুব কম সময় কাটিয়েছে। এটা বড় একটি কারণ। আমরা পরেরবার তাকে ফেরানোর জন্য প্রস্তুত থাকব, সেও প্রস্তুত থাকবে।’
নেইমার মাঠে ফিরলেও সৌদি প্রো লিগের নিয়মের কারণে শুধু এএফসি লিগেই খেলতে পারছেন। আসছে শীতকালীন মৌসুমের আগ পর্যন্ত নেইমার খেলতে পারবেন না সৌদি লিগে। কারণ লিগের নিয়ম অনুযায়ী প্রতি দলকে ৮ জন বিদেশি রেজিস্ট্রেশন করাতে হয় মৌসুমের জন্য। যখন লিগের নতুন মৌসুম শুরু হয়, নেইমার ইনজুরিতে থাকায় তাকে বাদ দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করেছিল আল হিলাল।
এনদ্রিকের বাদ পড়াটাও একই কারণে। ক্লাবের হয়ে ম্যাচ টাইম না পাওয়া। এনদ্রিক রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে এখন পর্যন্ত মাত্র ১০৭ মিনিট মাঠে খেলেছেন। ক্লাবের শেষ চার ম্যাচে মাঠেই নামা হয়নি তার। দরিভাল বলেন, ‘আমাদের কাছে সময় নেই কোনো খেলোয়াড়কে অনুশীলন করানো বা ফর্মে ফেরানোর। খেলোয়াড়রা পারফর্ম করছে কি না সেটাই হলো প্রশ্ন।’
লাতিন অঞ্চলের বাছাইপর্বে ১০ ম্যাচে ১৬ পয়েন্ট নিয়ে চতুর্থ স্থানে আছে ব্রাজিল। সমান ম্যাচে ২২ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে আর্জেন্টিনা।
ব্রাজিলের স্কোয়াড
গোলকিপার : এদেরসন, ওয়েবেরতন,
বেন্তো।
ডিফেন্স : দানিলো, ভ্যান্ডারসন, আবনের, গিলের্মো আরানা, এদের মিলিতাও, গাব্রিয়েল মাগলায়েস, মার্কিনহোস, মুরিলো।
মাঝমাঠ : আন্দ্রে, ব্রুনো গিমারেস, গারসন, লুকাস পাকেতা, আন্দ্রেস পেরেইরা।
আক্রমণভাগ : রাফিনহা, এস্তেভাও, রদ্রিগো, লুইস হেনরিক, সাভিনিও, ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, ইগর জেসুস।