১২০ রানে ছিল ২ উইকেট। ব্যাটিংয়ে তখনও নাজমুল হোসেন শান্ত আর মেহেদি হাসান মিরাজ। তাদের বিদায়ই যেন কাল হলো। মুহূর্তের মধ্যে তাসের ঘরের মধ্যে ভেঙে পড়েছে ব্যাটিং লাইন-আপ। আফগানিস্তানের বোলারদের ঘূর্ণিতে কাবু হয়ে ১৪৩ রানেই গুটিয়ে গেছে তারা।
শারজায় তিন ম্যাচ সিরিজের শুরুটা হলো ৯২ রানের হার দিয়ে।
১২০ রানে ছিল ২ উইকেট। ব্যাটিংয়ে তখনও নাজমুল হোসেন শান্ত আর মেহেদি হাসান মিরাজ। তাদের বিদায়ই যেন কাল হলো। মুহূর্তের মধ্যে তাসের ঘরের মধ্যে ভেঙে পড়েছে ব্যাটিং লাইন-আপ। আফগানিস্তানের বোলারদের ঘূর্ণিতে কাবু হয়ে ১৪৩ রানেই গুটিয়ে গেছে তারা।
শারজায় তিন ম্যাচ সিরিজের শুরুটা হলো ৯২ রানের হার দিয়ে।
দুর্দান্ত বোলিংয়ে বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইন-আপে ধস নামানোর পর শরিফুল ইসলামকে বোল্ড করে আফগানিস্তানের জয়ও নিশ্চিত করলেন আল্লাহ্ মোহাম্মদ গাজানফার।
২৩৫ রানের মাঝারি পুঁজি নিয়েও ৯২ রানের সহজ জয় পেল আফগানিস্তান। তিন ম্যাচ সিরিজে ১-০তে এগিয়ে গেল তারা।
ক্যারিয়ারের আগের পাঁচ ম্যাচ মিলিয়ে ৪ উইকেট পাওয়া গাজানফার এবার মাত্র ২৬ রানে নিলেন ৬ উইকেট। বাংলাদেশের বিপক্ষে এই প্রথম আফগানিস্তানের কোনো বোলার পেলেন ৫ বা তার বেশি উইকেট।
রান তাড়ায় শুরুতে তানজিদ হাসান ফিরলেও সৌম্য সরকার ও নাজমুল হোসেন শান্ত মিলে গড়েন ৫৩ রানের জুটি। এরপর মিরাজকে নিয়ে আরও ৫৫ রান যোগ করেন শান্ত। তার ব্যাট থেকে আসে ৪৭ রান। সৌম্য ৩৩ ও মিরাজ করেন ২৮ রান।
কিন্তু পরের ব্যাটসম্যানরা কেউই গাজানফারের স্পিনের সামনে টিকতে পারেননি। মাত্র ২৩ রানের মধ্যে ৮ উইকেট হারিয়ে পরাজয়ের তেতো স্বাদ পেল বাংলাদেশ।