যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জয়ের পর চিফ অব স্টাফ হিসেবে সুসি ওয়াইলসকে নিয়োগ দিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এটিই হোয়াইট হাউজে ট্রাম্পের দেওয়া প্রথম কোনো নিয়োগ। ট্রাম্পের নির্বাচনী প্রচারণায় সিনিয়র উপদেষ্টা হিসেবে ছিলেন সুসি। আগামী জানুয়ারিতে ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর ৬৭ বছর বয়সী সুসি হবেন প্রথম নারী, যিনি এই দায়িত্ব পালন করবেন।
বিবিসি জানিয়েছে, হোয়াইট হাউসের চিফ অব স্টাফ সাধারণত প্রতিটি প্রেসিডেন্টের প্রশাসনিক কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তারা মূলত হোয়াইট হাউসের ম্যানেজার হিসেবে কাজ করেন। এক্ষেত্রে প্রেসিডেন্টের কর্মীদের মধ্যে সমন্বয় করার দায়িত্ব থাকে তাদের ওপর। পাশাপাশি নীতিগত বিভিন্ন বিষয়ে তারা প্রেসিডেন্টকে পরামর্শও দিয়ে থাকেন।
সদ্য সমাপ্ত নির্বাচনে ভূমিকা রাখায় সুসির প্রশংসা করেন ট্রাম্প। বিশেষ করে ট্রাম্পের নিজস্ব লোকজনের ভেতরে ও বাইরে তার প্রশংসা শোনা যায়। আর তখনই মনে হচ্ছিল তাকে এই পদ দেওয়া হতে পারে। সুসি সাধারণত লোকচক্ষুর সামনে আসা থেকে বিরত থাকেন। এমনকি নির্বাচনে জয়ের খবরে ট্রাম্প যখন তার বিজয় উৎসব পালন করছিলেন, তখনও তিনি মাইকের সামনে আসতে চাননি।
এদিকে সুসিকে এই পদে নিযুক্ত করাটা ট্রাম্পের আসন্ন প্রশাসনের জন্য বড় রকমের পরীক্ষা। কারণ বিশাল এই ফেডারেল সরকার পরিচালনার জন্য ট্রাম্পকে দ্রুতই প্রশাসনিক টিম গঠন করতে হবে। আর সুসির কোনও সরকারি অভিজ্ঞতা নেই। যদিও তিনি যা পেরেছেন তেমনটি খুব কম লোকই পারেন। আর তা হলো— তিনি ট্রাম্পের আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করেছেন।
ট্রাম্প এক বিবৃতিতে বলেন, সুসি কঠোর, স্মার্ট ও সৃজনশীল ব্যক্তি যিনি সব জায়গায় প্রশংসিত ও সম্মানিত। সুসি ‘মেক আমেরিকা গ্রেট এগেইন’ জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাবেন। তাকে যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে প্রথম নারী চিফ অব স্টাফ করাটা আসলে তার অর্জিত সম্মান। কোনও সন্দেহ নেই—তিনি আমাদের দেশকে গর্বিত করবেন।