নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে মধ্যরাতে বাড়ী থেকে এক যুবককে তুলে এনে হত্যা মামলায় চালান দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে। শনিবার রাতে সোনারগাঁ পৌরসভার রাইজদিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
সোনারগাঁ থানায় বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের কোনও মামলায় ওই যুবক আবুল বাশারের নাম না থাকলেও স্থানীয় এক বিএনপির ইন্ধনে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন তার পরিবার। রবিবার সন্ধ্যায় সোনারগাঁ প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে আবুল বাশারের পরিবার এ অভিযোগ করেন।
গ্রেপ্তার হওয়া আবুল বাশারের স্ত্রী চম্পা আক্তার জানান, আমার স্বামী বহু পূর্বে শ্রমিক লীগের সাথে জড়িত ছিলেন। বেশ কয়েক বছর যাবত কোনও ধরনের রাজনীতির সাথে যুক্ত নয়। তবুও শুধুমাত্র হয়রানির উদ্দেশ্যে আমার স্বামীকে হত্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে। ২২ আগস্ট সোনারগাঁ থানায় করা একটি হত্যা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হলেও ওই মামলায় আসামি হিসেবে তার কোনও নাম নেই।
আবুল বাশারের বোন শামসুন্নাহার জানান, যে মামলায় আমার ভাইকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, ওই মামলার বাদী আমার ভাইকে চিনে না। এমন কি ওই মামলার ঘটনার সাথে সে কোনোভাবেই জড়িত নয়। আমাদের সাথে শত্রুতাবশত এ কাজ করা হয়েছে।
আবুল বাশারের বিরুদ্ধে কোনও মামলা বা অভিযোগ না থাকলেও কেন তাকে গ্রেপ্তার করা হলো এবং হত্যা মামলায় চালান দেওয়া হলো এ ব্যাপারে সোনারগাঁ থানার ওসি আব্দুল বারী সাংবাদিকদের জানান, আবুল বাশার সক্রিয় আওয়ামী লীগ নেতা। তাই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।