সম্প্রতি তিন দফায় প্রায় ২০০ সাংবাদিকের প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড বাতিলের প্রতিবাদ জানিয়ে বিষয়টি সরকারকে পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়েছেন সম্পাদকেরা। আজ মঙ্গলবার (১২ নভেম্বর) সচিবালয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রনালয়ে তথ্য উপদেষ্টা নাহিদ ইসলামের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন তারা। এ সময় বিভিন্ন গণমাধ্যমের সম্পাদক এবং তাদের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় মানবজমিন সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী বলেন, সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ছাড়া ঢালাওভাবে সাংবাদিকদের অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড বাতিল ঠিক নয়। ইতোমধ্যে সিপিজে বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। আমরাও উদ্বিগ্ন। তিনি বলেন, যাদের কার্ড বাতিল করা হয়েছে তাদের অনেকেই পেশাদার সাংবাদিক। বিষয়টি পুনর্বিবেচনার দাবি জানান তিনি।
দেশ রূপান্তরের সম্পাদক মোস্তফা মামুন বলেন, এত বেশি সাংবাদিকদের অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড করা হয়েছে যে এই সংখ্যাটি দেখে আমরা বিস্মিত হয়েছি। ঢালাওভাবে এভাবে কার্ড বাতিল করা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। এতে আন্তর্জাতিকভাবেও ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে।
তিনি বলেন, বাতিলের তালিকায় একজন পেশাদার সাংবাদিককে আমি চিনি যিনি প্রতিবেদন করার কারণে আগের সরকারের আমলে মামলার মুখোমুখি হয়েছেন। এই সময়ে আবার তার কার্ড বাতিল হওয়া দুঃখজনক। এমন অনেক পেশাদার সাংবাদিক রয়েছেন। কেউ অপরাধ করলে শাস্তি তার প্রাপ্য। কিন্তু খেয়াল রাখতে হবে কোন নিরপরাধ মানুষ যেন শাস্তি না পান।
পত্রিকাগুলোর সরকারি বিজ্ঞাপনের রেট বৃদ্ধির দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, এই রেট অনেক পুরনো। বর্তমান সময়ের আলোকে নতুন রেট করা দরকার । পাশাপাশি সরকারের কাছে পত্রিকাগুলোর বিজ্ঞাপন বাবদ বিপুল পরিমাণ বকেয়া রয়েছে। এই বকেয়া দ্রুত পরিশোধ করা দরকার। কারণ সংবাদপত্রগুলো চরম আর্থিক সংকটে রয়েছে।
মোস্তফা মামুন আরও বলেন, আধুনিক এই যুগে পত্রিকার সার্কুলেশন সংখ্যা দিয়ে বিজ্ঞাপনের রেট এবং মর্যাদা বিবেচনা করা ঠিক হবে না। এটা নিয়ে ভাবার সময় এসেছে।