স্থবিরতা কাটিয়ে দুর্বার গতিতে চলছে বেরোবি

নানা চড়াই উৎরাই, ঝড়ঝাপটা, উত্তেজনা, হামলা-মামলা, আবু সাঈদ হত্যা ও অস্থির অবস্থা থেকে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরেছে রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়। পূর্বে সেশনজটে ভোগা বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কার্যক্রম চলছে স্বাভাবিকের চেয়েও দুর্বার গতিতে। দ্রুত সকল ধরনের ক্লাস পরীক্ষা চালু হয়ে ইতিমধ্যেই প্রায় প্রতিটি বিভাগের ইনকোর্স, মিডসহ ফাইনাল পরীক্ষাও শেষ হয়েছে।

যে বিশ্ববিদ্যালয়জুড়ে ছিল ছাত্রলীগের একচ্ছত্র ক্ষমতার দাপট সেখানে নেই কোনো লেজুড়বৃত্তিক ছাত্ররাজনীতি। নেই নেতাকর্মীর হিংসাত্মক মনোভাবের চিহ্নমাত্র। ক্লাস-পরীক্ষা চলাকালীন নেই কোনো রাজনৈতিক স্লোগান, নেই উচ্চশব্দে মাইক বাজানোর রীতি। নবাগত শিক্ষার্থীদের জোর করে নেতাদের প্রটোকল দেয়ার অনুষ্ঠান বা অন্য কোনো রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে নিয়ে যাচ্ছে না কেউই।

শুধু এসবই না, হলগুলোর চিত্রও পাল্টেছে বিরাটভাবে। যে হলগুলো ছিল ছাত্রলীগের কবজায়, যে হলগুলোতে ছিল অবৈধ শিক্ষার্থীর আস্তানা, যেখানে ৪ জনের একরুমে থাকতে হতো ১৬ জনকে সেই চিত্রগুলোও এখন নেই একেবারেই। যে হলের দায়িত্ব প্রভোস্টের কাছে না থেকে থাকতো ছাত্রলীগের হাতে, যেখানে শিক্ষার্থী উঠতে গেলেই দেখিয়ে দেয়া হতো ছাত্রলীগের নেতাকে সেখানে এখন হলের দায়িত্ব অনেকটাই সুষ্ঠুভাবে পালন করে আসছে প্রাধ্যক্ষরা। হলের ডায়নিং এর চিত্রও পাল্টেছে। ছাত্রলীগের বাকি বকেয়া ও ফ্রি খাওয়ার ফলে সাধারণ শিক্ষার্থীরা চড়া দামেও যেখানে পেতো না মানসম্পন্ন খাবার সেই হলগুলোর ডায়নিংয়েই এখন শিক্ষার্থীরা দায়িত্ব নেয়ার ফলে মানে আসতে শুরু করেছে আমূল পরিবর্তন। 

আবার বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য কার্যক্রমের ফিরেছে স্বস্তির গতি। প্রশাসনিক কোনো সেবা নিতে গেলে কিংবা সনদপত্রের কাজে গেলে এখন শিক্ষার্থীদের শুনতে হয়না ‘লাঞ্চের পর আসুন’। একাডেমিক কার্যক্রমে স্বাভাবিক ধারার চেয়েও এসেছে গতি। বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপাচার্য আসার পর অনেকটা সুষ্ঠুভাবেই চলছে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল কার্যক্রম।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠার পর থেকেই নানা সমস্যায় জর্জরিত এই বিশ্ববিদ্যালয়টি। ছাত্রলীগ ছিল সেই সমস্যারগুলোর অন্যতম প্রভাবক। ১৬ জুলাই আবু সাঈদের মৃত্যুর পর বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্যারেজ রোডের দেয়াল টপকিয়ে পালিয়ে যায় ছাত্রলীগ। সেই থেকে আর ক্যাম্পাসে ফিরতে পারেনি তারা। সেদিন থেকে বন্ধ ঘোষণা করা হয় বিশ্ববিদ্যালয়টি। ৫ আগস্টের পর সরকার পতন হলে প্রশাসনিক দায়িত্বে থাকা অনেক শিক্ষক,কর্মকর্তারা পদত্যাগ করতে থাকেন। ফলে স্থবির হতে হয়ে পড়ে বিশ্ববিদ্যালয়।

তবে এর আগেই ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলেই গত ১ লা জুলাই থেকে শিক্ষকরা সর্বজনীন পেনশন স্কিমের প্রত্যাহারের দাবিতে সবধরনের কার্যক্রমে কর্মবিরতির ঘোষণা দেয়। ফলে একাডেমিক কাজ বন্ধ হয়ে পড়ে সেদিন থেকেই। আবু সাঈদের মৃত্যুর পর তা রূপ নেয় ভয়ঙ্করভাবে, সারা দেশ উত্তাল হয়ে পড়ে চরম উদ্যমে। ৫ তারিখ শেখ হাসিনা পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়।

এরপরই ৬ আগস্ট প্রক্টর, প্রভোস্ট, বহিরাঙ্গন, পরিবহন, ছাত্র উপদেষ্টা দপ্তরের পরিচালকসহ অনেকে পদত্যাগ করেন। ৯ আগস্ট পদত্যাগ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ড. হাসিবুর রশীদ। ১৮ আগস্ট থেকে বিশ্ববিদ্যালয়সহ সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার ঘোষণা দেয়া হয়। তবে ১৮ তারিখ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো খুললেও কার্যক্রম বন্ধ ছিল দীর্ঘদিন। কেননা সিন্ডিকেট সভা হয়ে তখন খোলার ঘোষণা দেয়া হয়নি। তবে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই একটি বিভাগ তখন থেকেই একাডেমিক কার্যক্রম শুরু করে৷ 


তবে ১৮ সেপ্টেম্বরে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে যুক্ত হওয়ার পর চিত্র পাল্টাতে শুরু করে। শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ সংশ্লিষ্টরা আশাবাদী হোন নতুন ধারার বেরোবি পেতে। সেই আশাও বজায় রাখেন উপাচার্য। তিনি যুক্ত হওয়ার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কার্যক্রম গতিসম্পন্ন করেন, সেশনজট কমাতে উদ্যোগ নেন কোর্স ডিউরেশন কমিয়ে আনার। জুন, জুলাই, আগস্টের সংকট কাটিয়ে ওঠার জন্য আগামী দুই সেমিস্টার করা হয় সাড়ে ৪ মাসের। একাডেমিক কাজ সঠিকভাবে পরিচালনার জন্য দ্রুত সময়ে তৈরি করা হয় নতুন একাডেমিক ক্যালেন্ডারও। জোরদার করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণায়, একে একে দায়িত্ব দিতে থাকেন সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোতে, ১৬ বছরের অপেক্ষাকৃত গেইটের কাজ সম্পন্ন করে উদ্বোধন করেন, নতুন হল ও অডিটোরিয়াম তৈরির ঘোষণা দেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের আগাছা পরিস্কার করে হল মাঠে করেন নতুন রাস্তা, প্রশাসনিক কাজে যেন শিক্ষার্থীরা হয়রানি না হয় সে বিষয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের তৎপরতা বৃদ্ধি করেন, হলের শিক্ষার্থীদের জরিমানা ও কয়েকমাসের ভাড়া মওকুফেরও সিদ্ধান্তও নেন, হলে দোকান উদ্বোধনের ঘোষণা দেন এবং প্রশাসনিক ভবনের সামনে শিক্ষার্থীদের দাবির প্রেক্ষিতে নতুন লন্ড্রি, সেলুন, ফটোকপির দোকান তৈরির কার্যক্রমও হাতে নেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারের মান বাড়াতে ওষুধ এর সংখ্যাও বৃদ্ধি করা হচ্ছে। নিরাপত্তা নিশ্চিতে বন্ধ হয়ে যাওয়া পুলিশ ফাঁড়ি নতুন করে চালু করা হয়।

আবার আবু সাঈদের খুন ও ১১ থেকে ১৬ জুলাই হামলার সাথে জড়িতদের চিহ্নিত করে কয়েকজনকে বরখাস্তসহ মামলার প্রস্তুতিও নেন তিনি। কয়েকজন শিক্ষকের দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগে তদন্তের ঘোষণাও দেন। 

তাছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টারপ্লান বাস্তবায়নে চলছে উপাচার্যের তৎপরতা। ইউজিসি ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাবণা ও আলোচনা করা হয়েছে। নতুন এই মাস্টারপ্লানে থাকবে ১০৮০ কোটি টাকার কাজের পরিকল্পনা। 

আবার বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষ প্রকল্পের অংশ ড. ওয়াজেদ রিসার্চ ইনস্টিটিউট ও শেখ হাসিনা হলের কাজ দুর্নীতির দায়ে বন্ধ পড়ে ছিল কয়েক বছর ধরে। ৬ষ্ঠ উপাচার্য হিসেবে যুক্ত হওয়ার পরই তিনি এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য দুটি আলাদা আলাদা চিঠি প্রেরণ করেন এবং শিক্ষা উপদেষ্টার সাথে বৈঠক করেন এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে আরডিপি প্রেরণ করেন। তদন্ত করে দ্রুত কাজ শুরু হবে বলে আশা করেন সংশ্লিষ্ট সকলে।

তাছাড়া শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের কথা বিবেচনা করে পুরাতন বাসগুলো মেরামতের কাজ শুরু করার ঘোষণা দেয়া হয় এবং নতুন বাস সংযোজনের জন্য ৪টি ব্যাংকের প্রতিনিধির সাথে আলোচনা করেন এবং বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা বরাবর ২টি বিআরটিসি বাসের চাহিদাও দিয়েছেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সুবিধার্থে প্রত্যেককে আলাদা আলাদা অফিসিয়াল মেইল দেয়ার উদ্যোগও গ্রহণ করেন তিনি। সাবেক উপাচার্য ড. হাসিবুর রশীদের আমলে বন্ধ হওয়া ফাইল ট্রাকিং ও থাম্ব এটেনডেন্সের কাজও দ্রুত চালু করতে নেয়া হয়েছে উদ্যোগ।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা, কার্যক্রম ও নানা উদ্যোগ নেয়ায় উচ্ছ্বসিত শিক্ষার্থী। শিক্ষার্থীরা দেশ রূপান্তরকে বলেন, যেভাবে একাডেমিক কাজসহ সকল ধরনের কাজে এত দ্রুত অগ্রগতি হচ্ছে সেভাবে কাজ করলে আমাদের এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার মান পৌঁছে যাবে এক অনন্য মাত্রায়। আশা করি খুব দ্রুত কাজগুলো শেষ করে শিক্ষার্থীদের জন্য উন্মুক্ত করবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. শওকাত আলী দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘এই বিশ্ববিদ্যালয়ের উত্তরের মানুষের এক আশা ভরসার ফল। আগে এখানে যা কিছুই হয়ে থাকুক আমি চাই মানুষ আবু সাঈদের বিশ্ববিদ্যালয়কে বিশ্ববিদ্যালয়ের মান দিয়ে আরো জানবে চিনবে। সাঈদ হত্যার উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা, এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার মান উন্নয়নে সব রকমের কাজ আমি করব। শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা, কর্মচারীদের মাঝে যে মানসিক দুরত্ব ছিল তা নিরসনে কাজ করছি। গবেষণা, ডিজিটালাইজেশনসহ সকল সেক্টরে উন্নতি করে র‍্যাঙ্কিং এ এক ডিজিটে নিয়ে আসার জন্য সকল কাজ করব।’

এদিকে বর্তমানে হলগুলোতে মেধার তালিকায় দেয়া হচ্ছে সিট বরাদ্দ। হল সংকট থাকায় এবার বর্ষ অনুযায়ী ভাগ করে দেয়া হচ্ছে সিট সংখ্যা। প্রতিটি বিভাগেই সমান হারে দেয়া হচ্ছে এসব সিট। এখনও পর্যন্ত কোনো ধরনের অবৈধভাবে হলে ওঠার অভিযোগ আসেনি। হলের বিষয়ে জানতে চাইলে শহীদ মুখতার এলাহী হলের প্রাধ্যক্ষ দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘পূর্বে হলগুলোতে কি হয়েছে সেটা সবারই জানা কথা। আমরা দায়িত্ব গ্রহণের পর কোনো ধরণের অসঙ্গতিপূর্ণ কাজ করছি না করতেও দিচ্ছি না। ভবিষ্যতে কোনো ছাত্র সংগঠন কিংবা কেউ সিট বাণিজ্য করতে পারবে না।’

আবার বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় জোরদার করা হয়েছে আগের চেয়ে বেশি। কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাওয়া পুলিশ ফাঁড়ি চালু, বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তার দায়িত্বে জন্য দ্রুত নিয়োগ দিতে থাকেন প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যদের। তাদের ওপর আস্থার প্রতিদানও দিচ্ছেন তারা। বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য বেশ কিছু কার্যক্রমও গ্রহণ করেছেন প্রক্টরিয়াল বডি, বহিরাগত প্রবেশ সীমিত ও রাজনৈতিক কর্মকান্ড বন্ধে তৎপর রয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রায় প্রতিদিনই ক্যাম্পাস অভ্যন্তরে অশালীন, অনৈতিক ও অসামাজিক কার্যকলাপের দায়ে আটক করা হচ্ছে অনেককে। গত সপ্তাহেই প্রায় শ'খানেক মাদকসেবনকারী, উত্যক্তকারী, অসামাজিক কার্যকলাপে জড়িতদের আটক করেছেন তারা। ফলে শিক্ষার্থীরাও ক্যাম্পাসে নিরাপদ অবস্থান করছে আগের চেয়ে তুলনামূলক বেশি।  তাছাড়া নবীন শিক্ষার্থীদের র‍্যাগিং এর বিষয়ে সর্বোচ্চ সচেতন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। ৩ তারিখে ওরিয়েন্টেশনের পর থেকে এখনও পর্যন্ত ঘটেনি কোনো র‍্যাগিং এর ঘটনা। তাছাড়া গতমাসে বহিরাগতদের দ্বারা শিক্ষার্থী উত্যক্ত ও হামলার শিকার হলে মামলার ব্যবস্থা ও তাদের পুলিশে সোপর্দ করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. ফেরদৌস রহমানসহ একাধিক সহকারী প্রক্টর দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা রক্ষার্থে এবং শিক্ষার্থীদের নিরাপদে রাখতে আমরা আমাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছি। আগের মতো শিক্ষার্থীরা বহিরাগতদের দ্বারা হয়রানি হচ্ছে না। নবীন শিক্ষার্থীরাও র‍্যাগিং এর কবলে পড়ছে না একেবারেই।

তবে বিশ্ববিদ্যালয়ে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের অনেকেই এখনও নানা ষড়যন্ত্রে ও বহাল তবিয়তে থাকছে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। আবার বিশ্ববিদ্যালয়ে আবু সাঈদ হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত এবং ১১ জুলাই থেকে ১৬ জুলাইয়ে হামলাকারী হওয়ার পরও বেশ কয়েকজনের নাম আসেনি বলে অভিযোগ করেন শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীর অনেকে। তাছাড়া যাদের নাম যুক্ত হয়েছে তাদের সকলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের ক্ষেত্রে সময় ক্ষেপন করছে এবং মামলা করার বিষয়টি নিয়ে তেমন পদক্ষেপ নিচ্ছেন না বলেও অভিযোগ করেন তারা।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. শওকাত আলী দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘আমরা দ্রুত সময়ের মধ্যে অভিযুক্ত কর্মকর্তা কর্মচারীদের বিরুদ্ধে একটি ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। জড়িত শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধেও দ্রুত সিদ্ধান্ত আসবে। পিবিআই ও আইনজীবীদের সাথে কথা হচ্ছে নিয়মিত। দ্রুতই ব্যবস্থা হবে।’