সম্প্রতি রাজধানীর পুরান ঢাকার চকবাজারে পলিথিনের কারখানায় অভিযানে গিয়ে শ্রমিকদের ক্ষোভের মুখে পড়েন পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হলে তা নিয়ন্ত্রণে নেয় সেনাবাহিনী। পরে ৪টি পলিথিন কারখানা সিলগালা করে দেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
বুধবার (১৩ নভেম্বর) দুপুরে চকবাজারের ইসলামবাগ এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসময় শ্রমিকেরা অভিযানের বিরোধিতা করেন।
একজন পলিথিন শ্রমিক বলেন, ‘আমাদের ভাই ২০ লাখ শ্রমিক আছে, আমাদের শ্রমিকের কর্মস্থান কই? এরা তো সব মূর্খ শ্রমিক, বেশিরভাগ মূর্খ, পড়ালেখা জানে না। কয়দিন বন্ধ থাকলে তারা কী করবে? তারা তো কোথায় কাজ পাবে না। আমরা বন্ধ মানি না মানবো, আগে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে দিতে হবে।
আরেকজন শ্রমিক বলেন, ‘আমার পরিবারের পাঁচজন সদস্য। দেশের এ পরিস্থিতিতে কারখানা বন্ধ হলে পরিবার নিয়ে পথে বসতে হবে।’
আরও একজন শ্রমিক বলেন, ‘আমাদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে সরকার পলিথিন কারখানা বন্ধ করে দিক তাতে আমাদের কোন আপত্তি নেই। আমরাও পলিথিন নিষিদ্ধের পক্ষে।’
পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব রুবিনা ফেরদৌসী বলেন, ‘এখানে অবৈধ পলিথিন উৎপাদনের কারখানার সন্ধান পাওয়া গেছে। এগুলোর কোনো ছাড়পত্র নেই।’
পরিবেশ অধিদপ্তর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, অভিযানটি পরিচালিত হয় পরিবেশ অধিদপ্তরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কাজী তামজীদ আহমেদের নেতৃত্বে। এ অভিযানে সেনাবাহিনী, র্যাব ও পুলিশ অংশ নেয়। এ সময় ৩টি কারখানার বিদ্যুৎ–সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে সিলগালা করা হয় এবং ২ হাজার ৪৬০ কেজি পলিথিন জব্দ করা হয়।
এই সংবাদটি ভিডিওতেও দেখা যাবে