বিরামপুরে কোচিং বাণিজ্যে জড়িত শিক্ষকদের তলব প্রশাসনের

দিনাজপুরের বিরামপুরে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের কোচিং বাণিজ্য বন্ধ নীতিমালা-২০১২ অমান্য করে কোচিং বাণিজ্যে জড়িত থাকা শিক্ষকদের কৈফিয়ত তলব করেছে প্রশাসন। বৃহস্পতিবার (২৮ নভেম্বর) এক চিঠির মাধ্যমে তলব করে প্রশাসন।

এর আগে  গত ১৮ নভেম্বর ‘এমপিওভুক্ত শিক্ষকরাই মানছেন না কোচিং বাণিজ্য নীতিমালা’ শিরোনামে সংবাদটি জাতীয় দৈনিক দেশ রূপান্তর সংবাদপত্রের অনলাইন ভার্সনে প্রকাশিত হয়। বিষয়টি গুরুত্ব পায় ২৬ নভেম্বর  বিরামপুর উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভায়। সভায় সিদ্ধান্ত হয় এমপিও ভুক্ত শিক্ষকদের এহেন কর্মকাণ্ডে কেন জড়িত তার কৈফিয়ত তলব করতে হবে।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শমসের আলী দেশ রূপান্তরকে জানান, কোচিং বাণিজ্যে জড়িত অভিযুক্ত সকলকে কেন বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া কেন হবে না। এ বিষয়ে কৈফিয়ত তলব করা হয়েছে পত্রযোগে।

ইউএনও নুজহাত তাসনীম আওন বলেন, এমপিভুক্ত শিক্ষকগণ কোচিং বাণিজ্য নীতিমালা’অমান্য করার দায়ে অভিযুক্ত হবেন।

‘শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের কোচিং বাণিজ্য বন্ধ নীতিমালা-২০১২’ এ বলা হয়েছে সরকারি-বেসরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষক কোচিং বাণিজ্যে জড়িত থাকলে তার বিরুদ্ধে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপীল) বিধিমালা, ১৯৮৫ এর অধীনে অসদাচরণ হিসেবে গণ্য করে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আর ও উল্লেখ রয়েছে কোনো সরকারি সুবিধাভোগী শিক্ষক কোচিং বাণিজ্যে জড়িত থাকলে তার এমপিও স্থগিত বা বাতিল, বেতন ভাতাদি স্থগিত, বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি স্থগিত, বেতন একধাপ অবনমিতকরণ, সাময়িক বরখাস্ত, চূড়ান্ত বরখাস্ত ইত্যাদি শাস্তিমূলক ব্যবস্থা কর্তৃপক্ষ গ্রহণ করবেন।