ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর চার মাস পেরিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু গণঅভ্যুত্থানের পর অনিশ্চয়তার মুখোমুখি বাংলাদেশের সামনে হাজির হয়েছে নতুন প্রেক্ষাপট। আর তা হলো ভারতীয় মিডিয়া ও সোশ্যাল মিডিয়ায় বাংলাদেশ ক্রাইসিস নিয়ে বিশ্বজুড়ে দিল্লির একতরফা বয়ান।
রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের সদস্য ডা. জাহেদ উর রহমান যাকে বলছেন ‘ইসলামফোবিক লেন্স’। তার ভাষ্য, ‘ভারতীয় গণমাধ্যম ইসলামফোবিক লেন্স দিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। অথচ ছাত্র আন্দোলন সর্বস্তরের মানুষকে গণঅভ্যুত্থানের দিকে নিয়ে গিয়েছিল। এটি ছিল একটি জনপ্রিয় আন্দোলন। কিন্তু ভারতীয় মিডিয়া তাদের ইসলামবিদ্বেষী চোখ দিয়ে পুরো দৃশ্যপট ব্যাখ্যা করছে।’
গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর সংখ্যালঘু ইস্যু কেন্দ্র করে সরব হয়ে ওঠে ভারতীয় মিডিয়ার একাংশ। তারা প্রচার করতে শুরু করে বাংলাদেশে সনাতনরা উগ্রপন্থীদের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হচ্ছে, তাদের বাড়িতে হামলা হচ্ছে এবং ভুক্তভোগীরা চাইলেও কোনো সাহায্য পাচ্ছে না। ৭ আগস্ট জি নিউজের ‘হোয়াই আর হিন্দুস বিং টার্গেটেড ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক খবরে এমন ভাষ্য ওঠে আসে।
একই দিন টাইমস গ্রুপের মালিকানাধীন মিরর নাউয়ের ইউটিউব চ্যানেলে ‘অ্যাটাক অন হিন্দুস ইন বাংলাদেশ? ম্যাস মার্ডারস, কিলিংস বাই মব’—এ চারটি বাড়িতে সহিংসতা ও অগ্নিসংযোগের ফুটেজ দেখানো হয়।
৮ আগস্ট আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, পুড়ে যাওয়া দুটি বাড়ির মালিক মুসলিম ধর্মালম্বী, যার একটি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের।
ভিডিওতে আরও দাবি করা হয়, উত্তেজিত জনতা ২৪ জনকে জীবন্ত পুড়িয়ে মেরেছে এবং সংখ্যালঘুদের টার্গেট করেছে। তাদের বাড়িঘর, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং মন্দিরে ভাঙচুর হয়েছে। কাছাকাছি সময়ে টাইমস অব ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদনে বলা হয়, শেখ হাসিনা সরকারের পতন ঘটিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। কোনো কোনো মিডিয়া ও ব্যক্তি এ ঘটনার পেছনে পাকিস্তান এবং চীনের প্রভাবও খুঁজে বের করে।
সাম্প্রদায়িক না রাজনৈতিক
১৯ সেপ্টেম্বর দেশব্যাপী ‘সাম্প্রদায়িক নৃশংসতা’র কবলে ৯ জন হিন্দু হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছে বলে জানায় বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ। কিন্তু নেত্র নিউজের অনুসন্ধান করে জানায়— ৯ জনের মধ্যে সাতজনই রাজনৈতিক সহিংসতা, গণ-সহিংসতা ও বৈষয়িক অপরাধমূলক হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছে। এছাড়া হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে ব্যক্তিগত আক্রোশ ও জমিসংক্রান্ত কারণে।
বাংলাদেশের মোট জনগোষ্ঠীর ৮ শতাংশ সনাতন ধর্মালম্বী, যাদের একটি অংশ আওয়ামী রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। ক্ষমতার পটপরিবর্তনের পর উত্তেজিত জনতা হিন্দু-মুসলিম নির্বিশেষে আওয়ামী নেতাকর্মীদের বাড়িঘর জ্বালিয়েছে। ফলে সামগ্রিকভাবে প্রশ্ন ওঠে এসব হামলা সাম্প্রদায়িক নাকি রাজনৈতিক।
বাংলাদেশ হিন্দু মহাজোটের মহাসচিব গোবিন্দ প্রামাণিক এসব হামলার নেপথ্যে ক্ষমতাসীনদের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার বিষয়টি বরাবরই তুলে ধরেছেন। ভারতেও অনেকে এসব বিষয় নিয়ে ডিফেন্ড করছেন।
ইউল্যাবের গণমাধ্যম অধ্যয়ন ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক ও বাংলা একাডেমির নির্বাহী পরিষদের সদস্য সুমন রহমান বলছেন, ‘আমাদের আফগানিস্তান হওয়ার প্রশ্নই আসে না। এখানে একটা রাজনৈতিক দলকে সরিয়ে অরাজনৈতিক সরকার এসেছে। এটা সেভাবেই কাজ করছে। গোদি মিডিয়ার অভিযোগগুলো দেখলে বোঝা যাবে আওয়ামী আমলেও সংখ্যালঘুরা নির্যাতিত হয়েছে। এক্ষেত্রে একটি নির্যাতনের ঘটনাই যথেষ্ট। আমি বলছি না সেটা হচ্ছে না। কিছু হচ্ছে এটা আমরা জানি। এটা ৪৭’ বা তার আগে থেকেই হচ্ছে। সংখ্যালঘু ভারতে আরও বেশি আছে। সেখানে বেশি আছে বলে বাংলাদেশেও হবে এমন নয়। কিন্তু এটা উপমহাদেশের দীর্ঘদিনের কালচার, রাতারাতি বন্ধ হবে না। এজন্য লড়াই করতে হবে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো- মিডিয়ায় উসকানি যাতে না হয় বা আমরা যেন বিভ্রান্ত না হই।’
মিথ্যা তথ্যের অবিরাম প্রবাহ
দিল্লির দৃষ্টিতে বাংলাদেশের ‘তালেবান রাষ্ট্রে’ পরিণত হওয়ার বয়ান ছাড়াও সোশ্যাল মিডিয়ায় রয়েছে মিথ্যা তথ্যের অবিরাম প্রবাহ। এমন অপপ্রচার একসময়ের দুটি বন্ধুপ্রতিম প্রতিবেশী দেশের মধ্যে উত্তেজনা প্রকাশ্যে নিয়ে এসেছে। ২৫ নভেম্বর বহিষ্কৃত ইসকন নেতা চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীকে রাষ্ট্রদ্রোহের মামলায় গ্রেপ্তার, পরদিন আদালতে হাজির করা ও আইনজীবী হত্যা এবং সর্বশেষ গতকাল শুনানিতে আইনজীবী না পাওয়া এই উত্তেজনায় ধারাবাহিকতা।
এ ঘটনায় আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফকে চিন্ময় কৃষ্ণের আইনজীবী হওয়ায় হত্যা করা হয় বলে প্রচার করে রিপাবলিক বাংলা, ওপইন্ডিয়া, দ্য ইকোনমিক টাইমস ও ফার্স্ট পোস্ট। পরে এনডিটিভি ঘটনাটির ফ্যাক্টচেক করে। তবে বিষয়টি এখানেই থেমে ছিল না। এর জের ধরে ২৮ নভেম্বর কলকাতায় বাংলাদেশ উপ হাইকমিশনের সামনে বিক্ষোভ করে বঙ্গীয় হিন্দু জাগরণ সংগঠন। এ সময় তারা বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা ও প্রধান উপদেষ্টার কুশপুতুল পোড়ায়। এছাড়া ফেনী সীমান্তবর্তী পরশুরামের বিলোনিয়া স্থলবন্দরের ভারত অংশে সনাতনী হিন্দু সমাজের ব্যানারে বাংলাদেশবিরোধী বিক্ষোভ হয়।
সর্বশেষ আগরতলায় বাংলাদেশের সহকারী হাইকমিশন প্রাঙ্গণে ঢুকে হামলা চালায় হিন্দু সংঘর্ষ সমিতিসহ কয়েকটি সংগঠনের সমর্থকেরা। এদিন মুম্বাইয়ের বাংলাদেশ উপহাইকমিশনের কাছাকাছি বিশ্ব হিন্দু পরিষদের (ভিএইচপি) আয়োজনে কয়েক শ লোক বিক্ষোভ করেছে বলেও জানা গেছে।
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আগরতলার ঘটনাকে ‘দুঃখজনক’ উল্লেখ করে বিবৃতি দিয়েছে। তারা দেশের অন্যান্য স্থানে উপ ও সহকারী হাইকমিশনের নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করার কথাও জানায়। বিষয়টি নিয়ে মঙ্গলবার বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনারকে তলব করে ঢাকা।
‘কন্সপিরেসি থিওরির ফ্যাক্ট চেক কঠিন’
এএফপির বাংলাদেশের ফ্যাক্ট-চেকবিষয়ক সম্পাদক কদরুদ্দিন শিশির বলছেন, ‘গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে আওয়ামী লীগ, পুলিশ এবং সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর অনেক হামলার ঘটনার তথ্য পাওয়া গেছে। তবে পুলিশ সদস্য এবং আওয়ামী লীগের বহু নেতাকর্মী হতাহত হয়েছেন ৫ আগস্টের পর।’
তিনি বলেন, ‘প্রকৃত ঘটনার পাশাপাশি ব্যাপক সংখ্যক ভুয়া খবর, ছবি, ভিডিও ফেসবুক, এক্স, ইউটিউব ও টিকটকে ছড়িয়েছে। আমি সংখ্যালঘু নির্যাতন, হত্যা, ধর্ষণ ইত্যাদি দাবিতে ছড়ানো অনন্ত ৫০টি ভুয়া কন্টেন্টের ফ্যাক্ট চেক করেছি।’
রিউমর স্ক্যানার, বুম বাংলাদেশ বা ফ্যাক্টওয়াচের মতো তথ্যযাচাইকারী প্রতিষ্ঠানগুলো প্রথম থেকে এসব বিষয় নিয়ে কাজ করছে। ফ্যাক্টওয়াচের ফ্যাক্ট চেকার শুভাশীষ দীপ বলেন, ‘আগস্টের প্রথম সপ্তাহে সংখ্যালঘু নির্যাতন, জঙ্গিদের জেল থেকে ছেড়ে দেওয়া নিয়ে রিপোর্ট করে জি নিউজ ও রিপাবলিক টিভি। এ ধরনের কন্টেন্টগুলো যেমন ভুল তথ্যে ভরা তেমনি প্রপাগান্ডাও রয়েছে।’
শুভাশীষ উল্লেখ করেন, ‘রিপাবলিক টিভির টোন সবসময়ই এমন। তারা ধর্মীয় অনুভূতি ব্যবহার করে। আর হিন্দুত্ববাদী রাজনীতিও তাই ব্যবহার করছে। কিন্তু ভুল ও মিথ্যা তথ্য ধরা গেলেও কন্সপিরেসি থিওরির ফ্যাক্ট চেক করা কঠিন। এক্ষেত্রে আমাদের সত্য তুলে ধরতে হবে।’
ভারতের সব মিডিয়া কি অপতথ্য দিচ্ছে?
ভারতে বিভিন্ন ভাষায় পত্রিকার সংখ্যা কয়েকহাজার ও টেলিভিশন চ্যানেলের সংখ্যা কয়েক শত। তারা সবাই কি বাংলাদেশ নিয়ে অতিরঞ্জিত খবর পরিবেশন করছে?
সুমন রহমান বলছেন, ‘ভারতের সব মিডিয়া অপতথ্য দিচ্ছে— বিষয়টি এমন নয়। ওদের অনেক ফ্যাক্টচেকার, সিভিল সোসাইটির যেসব প্ল্যাটফর্ম আছে সেখানে এ ধরনের অপতথ্য ছড়ানোর বিষয়টি চোখে পড়ে না।’
তিনি বলেন, ‘এই ইস্যুতে অন্তবর্তী সরকারের কাজ হলো কথা বলা। ব্যাসিক্যালি আপনি বলটা ভারতের কোর্টে দিয়ে দিলেন। ভারত এখন আলাদা করুক, তাদের কোন মিডিয়া এসব নিউজ করছে বা করছে না। আমাদের চাওয়া হলো এই অপতথ্যের বিষয়টি বন্ধ হোক। ভারত এ বিষয়ে বক্তব্য দিতে চাইলে দিতে পারে। ব্যবস্থাও নিতে পারে। তবে বাংলাদেশের দিক থেকে অফিসিয়ালি এটি বলা একটু কঠিন এবং কিছুটা অপ্রয়োজনীয় মনে হয়।’
আবার টিআরপির (টেলিভিশন রেটিং পয়েন্ট) পেছনে ছোটার প্রবণতা ভারতীয় মিডিয়াকে বাংলাদেশ নিয়ে অপপ্রচার করতে বেশি উৎসাহী করছে কিনা? এমন প্রশ্নে সুমন রহমানের ভাষ্য, ‘টিআরপির বিষয়টি তো আছেই— তবে এখন এটা শুধু টিআরপির রাজনীতি বলে আমি মনে করি না। এখানে গোদি মিডিয়া, রাজনীতি— পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূলের বিপরীতে বিজেপির জায়গা তৈরি, জনপ্রিয়তা বাড়ানোর হিসাব আছে।’
যদিও চলতি বছর দেশটির লোকসভা নির্বাচনের আগে বিভিন্ন সমীক্ষায় গণমাধ্যম ও সোশ্যাল মিডিয়ায় অপতথ্য ছড়ানোর বিষয়টি আলোচনায় ছিল। মাইক্রোসফটের এক সমীক্ষা জানায়, বিশ্বে সবচেয়ে বেশি ভুয়া খবর ছড়ায় ভারতেই। সংস্থাটির জরিপ অনুযায়ী, দেশটিতে ৬০ শতাংশেরও বেশি মানুষ অনলাইনে ভুয়া খবরের মুখোমুখি হয়েছেন; যেখানে এ হারের বৈশ্বিক গড় ৫৭ শতাংশ।
এছাড়া বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের (ডব্লিউইএফ) ২০২৪ গ্লোবাল রিস্ক প্রতিবেদনেও বলা হয়, মিথ্যা তথ্য এবং ভ্রান্ত তথ্য ভারতে বড় হুমকি হিসেবে দেখা দিয়েছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ২০২৪ সালের ৩৪টি সম্ভাব্য ঝুঁকিযুক্ত দেশের মধ্যে ভারতের অবস্থান শীর্ষস্থানে।
ভারতীয় বয়ান থেকে মুক্তির পথ
ভারতীয় সাংবাদিক রবীশ কুমার ঘোষিত ‘গোদি মিডিয়া’ নিয়ে চিন্তিত নন উল্লেখ করে জাহেদ উর রহমান বলছেন, ‘ওদের সিভিল সোসাইটি ও জনগণের সঙ্গে কথা বলা বা যোগাযোগ একটা পথ হতে পারে। কারণ ভারতে যারা উগ্র রাজনীতি করেন তারা সংখ্যালঘু নির্যাতনের ন্যারেটিভ কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশ সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে চাচ্ছে। তবে সেখানে কবীর সুমনের মতো অনেকেই বিষয়গুলো নিয়ে কথা বলছে। কংগ্রেসের শশী থারুরকে দায়িত্বশীল বক্তব্য দিতে দেখেছি। উনি শেখ হাসিনার আমলেও ভালো কথা বলেছেন। মুসলিমরা যখন সনাতন ধর্মালম্বীদের মন্দির পাহারা দিয়েছে তখনও ভালো বক্তব্য দিয়েছেন।’
তিনি বলেন, ‘ওই উপস্থাপক (ময়ূখ রঞ্জন ঘোষ) যে ক্লাউন এটা সবাই জানে। কিন্তু এনডিটিভি, ইন্ডিয়া টুডে ও টাইমস অফ ইন্ডিয়া— এমনকি সিএনএন নিউজ; আমি সবগুলো দেখার চেষ্টা করেছি। এদের কথাও যদি বলি অত্যন্ত বাজে ধরনের নিউজ করেছে। সাংবাদিকতায় দ্য প্রিন্টের শেখর গুপ্তর এক ধরনের সম্মান আছে। সেই তিনিও বাংলাদেশ ও ইসকন নিয়ে যে আলোচনা করলেন আমি হতাশ হয়েছি।’
তবে বাংলাদেশ নিয়ে যে অপপ্রচার চলছে তা খণ্ডন করতে দেশের সনাতনদের এগিয়ে আসা উচিত বলে জানান ডা. জাহেদ। তার মতে, দ্বিতীয় আরেকটা পথ হতে পারে বাংলাদেশের সনাতনরাই।
‘তারা যদি ভারতীয় প্রপাগান্ডার প্রতিবাদ করে সেটা অনেক ভালো হবে। যেমন সোমবার রাতে আগরতলায় বাংলাদেশের সহকারী হাইকমিশনে হামলা এবং দেশের কয়েকটি সীমান্তে ভারতীয় উগ্রবাদীদের হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলের শিক্ষার্থীরা। এভাবে বাকিরাও যদি এগিয়ে আসে তাহলে ভারতীয় বয়ান রুখে দেওয়া যাবে’ জোর দেন তিনি।