পরীমণি নয়, যেন লাল পরী

নিয়মিতই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভক্তদের জন্য ছবি পোস্ট করেন তারকারা। সেসব ছবি অনেক সময় বলে দেয় তারকাদের মনের কথা, কাজের কথা। ভক্তদের জন্য আজকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করা ছবিতে পরীমণি লিখেছেন- ‘লাল পরী’।

তিনটি ছবিতে পরীকে দেখা যাছে লাল শাড়ি, খোলা চুলে গাঁজরা আর কপালে ছোট একটা লাল টিপে। ছবিগুলো কবে, কখন তোলা সে ব্যাপারে কিছুই জানাননি পরীমণি।

ছবি পোস্ট করার কয়েক মিনিটের মধ্যেই ভক্তদের হাজার হাজার কমেন্ট পড়েছে সেই পোস্টে। ভক্তদের মধ্যে ইসরাফিল হোসেন নামে একজন লিখেছেন, ‘খুব চমৎকার একটা ছবি। একদম লাল পরীর মত লাগছে। অনেক অনেক ভালোবাসা রইলো আপু’।

আমিনুল ইসলাম নামের আরেক ভক্ত লিখেছেন, ‘লাল শাড়ি আর লাল পরী। খুবই অসাধারণ লাগছে’।

বরাবরই আলোচনায় থাকেন পরীমণি। ঢালিউডের এই তারকার পেশাগত জীবন ছাপিয়ে বরাবরই ব্যক্তিজীবন সামনে চলে আসে। প্রেম, বিয়ে, বিচ্ছেদ, উদযাপন সবকিছুতেই যেন পরীমণি আলোচনার একটি নাম।

কয়দিন আগে ওটিটি প্ল্যাটফর্ম হইচইয়ে মুক্তি পেয়েছে পরীমণি অভিনীত ‘রঙিলা কিতাব’। এই ওয়েব সিরিজের জন্য প্রশংসা কুড়াচ্ছেন এই তারকা। কেউ কেউ বলছেন, সেই ‘স্বপ্নজাল’ সিনেমার পর আবার ভিন্নভাবে ধরা দিলেন পরীমণি। ‘রঙিলা কিতাব’ এ পরীমণির বিপরিতে অভিনয় করেছেন মোস্তাফিজ ইমরান নূর। থ্রিলার ঘরানার গল্পে নির্মিত এ সিরিজে একজন অন্তঃসত্ত্বা নারীর ভূমিকায় দেখা গেছে পরীমণিকে। সিরিজটি বানিয়েছেন অনম বিশ্বাস।

এত এত প্রসংশার ভিড়ে পরীমণি নতুন করে সুখবর দিলেন। তার প্রথম কলকাতার ছবি ‘ফেলুবক্সী’ আগামী বছরের ১৭ জানুয়ারি মুক্তি পাচ্ছে। ছবিতে পরীমণি অভিনয় করেছেন লাবণ্য চরিত্রে।

কলকাতার সিনেমা ‘ফেলুবক্সী’-তে পরীমণি ও সোহম চক্রবর্তী ছাড়াও রয়েছেন মধুমিতা সরকার। এ তিন সেলিব্রেটিকে একসঙ্গে পর্দায় আনছেন পরিচালক দেবরাজ সিনহা। থ্রিলার গল্পের এ সিনেমায় প্রধান তিন চরিত্রে অভিনয় করতে দেখা যাবে তাদের।

নতুন প্রজন্মের চরিত্র এই ফেলুবক্সী। যে চতুর, টেক-স্যাভি এবং নিজেকে সর্বশেষ এবং সর্বশ্রেষ্ঠ প্রযুক্তির সঙ্গে সঙ্গে আপডেটেড রাখে। মনের দিক থেকে একেবারে সাধারণ বাড়ির ছেলে সে। সাধারণ এক বাঙালি ছেলে যে খেতে খুব ভালোবাসে আর ভালোবাসে ক্রাইমের সমাধান করতে।

পরীমণির চরিত্র লাবণ্য, একটি রহস্যময়ী এবং আকর্ষণীয় চরিত্র। এই ছবিতে মধুমিতা সরকার চরিত্রের নাম দেবযানী, যিনি একজন রেডিও জকি। গত বছরের এপ্রিলে ছবিটির শুটিং শুরু হয়।

এই ছবির মাধ্যমে কলকাতায় পরীমণির ক্যারিয়ার নতুনভাবে শুরু হচ্ছে। কলকাতায় পরী মণির যাত্রা শুরু হলো এর মাধ্যমে। সিনেমাপ্রেমীরা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন তার পরবর্তী প্রকল্পের জন্য।