খুলনার দেয়া ১৩০ রানে লক্ষ্য তাড়ায় ১৯ ওভার শেষে বরিশালের সংগ্রহ ৬ উইকেটে ১২২। শেষ ওভারে দরকার মাত্র ৮ রান। মঈন খান ৪২ রান নিয়ে অপরাজিত। সঙ্গে কামরুল ইসলাম রাব্বী। মনে হচ্ছিল সহজেই রানটা করে ফেলবে তারা।
মেহেদী হাসান রানার প্রথম তিন বল থেকে রাব্বীর বাউন্ডারিতে দুজনে মিলে করে ফেললেন ৬ রান। কিন্তু এরপরই এলোমেলো হয়ে পড়লো সব। চতুর্থ বল ব্যাটে বলে কানেক্ট করতে না পারলেন না রাব্বী। খুলনার উইকেটকিপার নুরুল হাসান সোহান বল ছুড়ে বেলস ভেঙে দিলেন। মঈন তখন মাঝ পিচে। বল চলে গিয়েছিল সামনেই। সেটা কুড়িয়ে বোলার খুব সহজেই ভেঙে দিলেন ননস্ট্রাইকিং এন্ডের উইকেট। রানআউট রাব্বী।
পরের বলে মঈনও লাগাতে পারলেন না বল। কিন্তু উইকেট ছেড়ে বেরিয়ে এলেন তিনি। সোহান খুব সহজেই সরাসরি থ্রোতে ভেঙে দিলেন উইকেট। সদ্য ক্রিজে আসা তানভীর ইসলাম রানআউট।
পরর বলটা মেহেদী রানা ওয়াইড দেয়ায় সমীকরণ দাড়ালো ১ বলে ২ রান। শেষ বলটা শর্টপিচ হওয়ায় নতুন ব্যাটসম্যান রুয়েল মিয়া লাগাতে পারলেন না। কিন্তু মঈন খানের ডাকে তিনি রানের জন্য বের হওয়ায় সোহান ছুড়ে দিলেন বল। সরাসরি লাগলো ননস্টাইকিং এন্ডে। রুয়েল তখনো পৌছাতে পারেননি।
রানআউটের এই হ্যাটট্রিকে জাতীয় টি-টোয়েন্ট লিগের দ্বিতীয় দিন সিলেট স্টেডিয়ামে জেতা ম্যাচ ১ রানে হেরে গেলো বরিশাল। ২৭ বলে ৪৩ রান করে অপরাজিত রয়ে গেলেন হতভম্ব মঈন খান। এর আগের ওভারে ৫৩ বলে ৫১ করা আব্দুল মজিদ আউট হন।
খুলনার ইনিংসে কোনো ফিফটি ছিল না। আগের দিন ফিফটি করা আজিজুল হাকিম তামিম করেন ৯ বলে ৬। সর্বোচ্চ ৩৯ রান (৩৫ বলে ৩ বাউন্ডারি ১ ছক্কায়) করেন নুরুল হাসান সোহান। পরে তিন দুর্দান্ত থ্রোতে রানআউটের জন্য ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি।