বিএনপির নেতৃত্ব দিতে হলে পরীক্ষায় পাস করতে হবে: ডা.জাহিদ

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য অধ্যাপক ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন বলেছেন, বিএনপি যে ৩১ দফা কর্মসূচি দিয়েছে তা বাংলাদেশের গণতন্ত্র, সুশাসন ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় একটি সুসংহত ও সময়োপযোগী নীতিমালা হিসেবে পরিগণিত হতে পারে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এই প্রস্তাবনায় গণতন্ত্রের বর্তমান সংকট নিরসন এবং ভবিষ্যৎ সম্ভাবনাগুলো নিয়ে একটি সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা তুলে ধরেছেন। বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে ৩১ দফা এক গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা হিসেবে উঠে এসেছে।

বৃহস্পতিবার (১২ ডিসেম্বর) বিকেলে মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলা ও পৌর বিএনপির কর্মী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
 
তিনি বলেন, ২৪-এর স্বাধীনতা বিরোধী ও সাম্প্রদায়িকতার দাঙ্গা যারা লাগাতে চায় তারা কি নিজেদের চেহারা আয়নায় দেখেছেন? আমরা কোনো সংখ্যালঘু নয়, আমরা সবাই বাংলাদেশি। আমরা আন্দোলনে ছিলাম, আছি, থাকব। বিএনপি ক্ষমতায় আসলে জনগণ তার অধিকার ফিরে পাবে, ভোটাধিকার ফিরে পাবে।

সব বিপদ আপদে বিএনপি সবার আগে জনগণের পাশে দাঁড়ায় জানিয়ে ডা. জাহিদ বলেন, বিএনপির নেতৃত্ব তারাই দিবে যারা সময়ের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ। পরীক্ষায় ফেল লোকদের বিএনপিতে ঠাঁই নেই। বিগত সময়ে যারাই আন্দোলন সংগ্রামে ছিল তারাই নেতৃত্বে আসবে। সবাইকে শহীদ জিয়ার সৈনিক হতে হবে। কোনো ব্যক্তির লোক না হয়ে শহীদ জিয়ার লোক হতে তিনি নেতাকর্মীদের আহ্বান জানান।

জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ফয়জুল করিম ময়ূনের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সিলেট বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক আলহাজ জি কে গউছ, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মিফতা সিদ্দিকী, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য সাবেক এমপি এম নাসের রহমান, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট আবেদ রাজা ও মিজানুর রহমান মিজান, কুলাউড়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি শওকতুল ইসলাম শকু।

উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক শামীম আহমদ চৌধুরী ও সাংগঠনিক সম্পাদক সুফিয়ান আহমদের যৌথ সঞ্চালনায় আরও বক্তব্য রাখেন সাবেক উপজেলা বিএনপির সভাপতি জয়নাল আবেদীন বাচ্চু, সহসভাপতি আজিজুর রহমান মনির, আবুল জলিল জামাল, কমর উদ্দিন আহমদ কমরু, সাধারণ সম্পাদক এম এ মজিদ, রেদোয়ান খান, বদরুজ্জামান সজল, সাইফুল আলম চৌধুরী, যুগ্ম সম্পাদক আলমগির হোসেন ভুঁইয়া ও মইনুল হক বকুল, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল মুক্তাদির মুক্তার, দেলোয়ার হোসেন ও আব্দুস সালাম, প্রচার সম্পাদক শহিদ উল্লাহ, গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক বদরুল হোসেন খাঁন, যুবদল নেতা কাওসার আহমদ নিপার, আব্দুল মুহিত বাবলু, সিরাজুল ইসলাম রাজু, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা রেজাউল আলম ভূঁইয়া খোকন, মুসা আহমদ সুয়েট, গিয়াস উদ্দিন মোল্লা, ছাত্রদল নেতা সুলতান আহমদ টিপু, তানজিল হাসান খাঁন, সাইফুর রহমান, আতিকুল ইসলাম আতিক, মৌসুম সরকার, হাবিবুর রহমান টিপু প্রমুখ। সভায় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের সহস্রাধিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।