২০৩০ ফিফা বিশ্বকাপ আয়োজনে মরক্কো, পর্তুগাল ও স্পেনকে স্বাগতিক দেশ হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেছে ফিফা। সংস্থাটির প্রেসিডেন্ট জিয়ান্নি ইনফান্তিনো একে ‘মানবতার অসাধারণ উৎসব’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
ফিফার এক সাক্ষাৎকারে ইনফান্তিনো বলেছেন, ‘মরক্কোতে যারা যাবেন, তারা এমন আতিথেয়তা পাবেন যা পৃথিবীর আর কোথাও নেই। এটি হবে মানবতা, ফুটবল আর ঐক্যের একটি বিশাল উদযাপন।’
মরক্কোর ফুটবল ঐতিহ্য এবং উষ্ণপ্রাণ ভক্তদের প্রশংসা করে তিনি বলেন, ‘২০২২ কাতার বিশ্বকাপে মরক্কোর ভক্তরা যে আবেগ দেখিয়েছেন, তা সারা বিশ্বের মন জয় করেছে। তাদের দল যখন সেমিফাইনালে উঠে প্রথমবারের মতো আফ্রিকার প্রতিনিধিত্ব করেছিল, তখন পুরো ফুটবল বিশ্ব মরক্কোর ভক্তদের চমৎকারতায় মুগ্ধ হয়েছিল।’
২০২৬ থেকে ২০৩৪ পর্যন্ত চারটি বিশ্বকাপ হবে পাঁচটি মহাদেশে। ২০২৬ সালে কানাডা, মেক্সিকো ও যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত হবে ফুটবল বিশ্বকাপ। এরপর ২০৩০ সালে এটি হবে উত্তর আফ্রিকা ও ইউরোপে। পাশাপাশি ঐতিহাসিকভাবে শতবর্ষের তিনটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে দক্ষিণ আমেরিকার উরুগুয়ে, আর্জেন্টিনা ও প্যারাগুয়েতে।
এ সম্পর্কে ইনফান্তিনো বলেন, ‘উত্তর আমেরিকা থেকে শুরু করে দক্ষিণ আমেরিকা, এরপর আফ্রিকা ও ইউরোপ এবং শেষে এশিয়ায়—এই বিশ্বকাপ আয়োজনগুলো ফুটবল বিশ্বের ঐক্য ও শক্তির একটি চমৎকার বার্তা দিচ্ছে। এটি ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা অধ্যায় হয়ে থাকবে।’
একই অধিবেশনে ফিফা কংগ্রেস ২০৩৪ বিশ্বকাপের আয়োজক দেশ হিসেবে সৌদি আরবকে অনুমোদন দেয়।
মরক্কো, পর্তুগাল এবং স্পেনের ভক্তদের জন্য এটি শুধু একটি বিশ্বকাপ নয়, বরং ফুটবলকে উদযাপন করার একটি বিশেষ সুযোগ। আর ফিফা আশা করছে, এই আয়োজন ফুটবল বিশ্বের জন্য একটি অনন্য মাইলফলক হয়ে থাকবে।