সৌম্য-শামীমে উইন্ডিজের বিপক্ষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ১৪৭

সেন্ট ভিনসেন্টে বাকিরা জ্বলে উঠতে না পারলেও নিজের দেওয়া কথার খানিকটা রেখেছেন সৌম্য সরকার। স্বাগতিক ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে সৌম্যর ৪৩ রান ও শেষদিকে শামীম হোসেনের ঝড়ো ২৭ রানের ইনিংসের সৌজন্যে স্কোরবোর্ডে ৬ উইকেটে ১৪৭ রান জড়ো করে বাংলাদেশ।

টেস্ট সিরিজ ড্র এবং ওয়ানডে সিরিজে হোয়াইটওয়াশ হওয়ার পর টি-টোয়েন্টি সিরিজের আগে সৌম্য বলেছিলেন, ‘ভালো কিছু করার প্রত্যয় নিয়েই মাঠে নামবো আমরা। নিজেদের সেরা ক্রিকেট খেলতে পারলে ফল আমাদের পক্ষেই আসবে। দলের ব্যাটিং-বোলিং-ফিল্ডিং তিন বিভাগই সেরা ছন্দে ফিরতে পারলে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ভালো কিছু করা সম্ভব।’

কিংসটাউনের আর্নস ভেল গ্রাউন্ডে টসভাগ্য পাশে পাননি নাজমুল হোসেন শান্তর অনুপস্থিতিতে অধিনায়কের দায়িত্ব সামলানো লিটন দাস। তাই রভম্যান পাওয়েলের সিদ্ধান্তে আগে ব্যাটিংয়ে নামতে হয় বাংলাদেশকে। শুরুটাও হয় মন্দ। তৃতীয় ওভারে দলের যখন ১৫ রান, পরপর দুই বলে বিদায় নেন তানজিদ হাসান তামিম ও লিটন। তানজিদকে ৬ ও লিটনকে গোল্ডেন ডাকে সাজঘরের পথ দেখান আকিল হোসেইন।

পাওয়ার প্লের শেষ ওভারে রোস্টন চেজের শিকার হয়ে ফেরেন ৮ রান করা আফিফ হোসেন। বাংলাদেশের রান তখন ৩০। ওয়ানডের পর টি-টোয়েন্টি দলে ফেরার সুযোগখানি কাজে লাগাতে ব্যর্থ হন আফিফ। এরপর অবশ্য ৪২ বলে ৫৭ রানের জুটি গড়ে দলকে বিপদ থেকে তোলেন সৌম্য ও জাকির আলী।

১৩তম ওভারে দলের ৮৭ রানের মাথায় ২৭ বলে ২ ছক্কা ও ১ চারে ২৭ রান করে ফিরে যান জাকির। রোমারিও শেফার্ডের বলে বাউন্ডারি হাঁকাতে গিয়ে সীমানায় পাওয়েলের হাতে ধরা পড়েন তিনি। দুবল বাদেই ফিরে যেতে পারতেন সৌম্য। তবে গুডাকেশ মোতি ক্যাচ নিয়ে ভারসাম্য রাখতে গিয়ে বলের সঙ্গে মাটির সংযোগ ঘটান।

সে যাত্রায় বেঁচে গেলেও ১৫তম ওভারের শেষ বলে ঘরের ছেলে ওবেড ম্যাকয়ের বলে পরাস্ত হন সৌম্য। বোল্ড হয়ে ফেরার আগে ৩২ বলে ৩ ছক্কা ও ২ চারে ৪৩ রান তোলেন তিনি।

এরপর শেখ মেহেদি হাসান একপ্রান্ত আগলে রাখলেও অন্যপ্রান্তে ঝড়ো ইনিংস খেলেন শামিম হোসেন। ৩ ছক্কা ও ১ চারে দুইশোর বেশি স্ট্রাইকরেটে ১৩ বলে ২৭ রানের ক্যামিও খেলে শেষ ওভারে থামেন শামীম। মেহেদি অপরাজিত থাকেন ২৪ বলে ২ চার ও ১ ছক্কায় ২৬ রানে। তাতে উইন্ডিজের সামনে লক্ষ্য দাঁড়ায় ১৪৮ রানের। আকিল ও ম্যাকয় দুটি করে উইকেট নেন। একটি করে শিকার ধরেন রোস্টন ও শেফার্ড।