ইহকাল ও পরকালের সংযোগকারী ভাষা হলো আরবি: ঢাবি উপাচার্য

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান বলেছেন, আরবি ভাষার লিখিত ইতিহাস ১৫০০ বছরের। এই ভাষার প্রভাব সর্বব্যাপী। সেমিটিক ল্যাগুয়েজের অপর শাখা সংকুচিত হচ্ছে। কিন্তু একমাত্র আরবিই বড় হচ্ছে। ভাষা হিসেবে নয় শুধু কালচার হিসেবেও। এরকম একটি ভাষাকে সম্মানিত করা নিজেকে সম্মানিত করার নামান্তর। আমরা যারা মুসলমান তাদের জন্য এই ভাষা ইহকাল ও পরকালের সংযোগকারী ভাষাও বটে।

বুধবার (১৮ ডিসেম্বর) ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের আয়োজনে শাহবাগ জাতীয় জাদুঘরের অডিটোরিয়ামে বিশ্ব আরবি ভাষা দিবসের আলোচনাসভায় তিনি একথা বলেন। ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. শামসুল আলম, উপ উপাচার্য ড.শহীদুল ইসলাম প্রমুখ এতে উপস্থিত ছিলেন।

ড. নিয়াজ আহমদ খান বলেন, আরেকটি বিষয় আমরা ভুলে যাই বিশ্ববিদ্যালয় সমাজের সঙ্গে সংযোগকারী প্রতিষ্ঠান। জ্ঞানের যত বড় বিকাশই ঘটুক না কেন, সমাজের সঙ্গে সম্পর্কহীন হলে তা আর বিশ্ববিদ্যালয় থাকে না। ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ে এখন যোগ্য নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তাই সমাজের সাথে দৃঢ় সংযোগ স্থাপন করেছে।

ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয় ট্রেজারার এসএম মামুনুর রাহমান খলিলি বলেন, গত ১৫ বছর ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ে যা হয়েছে তা শুনে আমাদের লজ্জায় মাথা হেট হয়ে গিয়েছিল। আমরা কথা দিচ্ছি আমরা সর্বোচ্চ চেটা করব। আমাদের কর্মকর্তা যারা রয়েছেন তাদের ন্যায্য পাওনা আমরা বুঝিয়ে দেব৷ আমরা আপনাদের সাথে সর্বোচ্চ সহযোগিতা নিয়ে সবসময় আছি।

উপ-উপাচার্য অধ্যাপক শহীদুল ইসলাম বলেন, আরবি ভাষা একটি সমৃদ্ধশালী ভাষা, জাতিসংঘের ভাষা। প্রায় ২১টি দেশের মাতৃভাষা আরবি। আমাদের দেশেও আরবি ভাষাকে সমুন্নত রাখার জন্য আমরা সর্বাত্মক চেষ্টা করছি।

ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. শামসুল আলম বলেন, এই বিশ্ববিদ্যালয় আর পেছনে যাবে না। পেছনে যত অসততার গল্প শুনেছেন তা আর শুনবেন না। আমি ৫ আগস্টের আগে তরুণদের নিয়ে হতাশ ছিলাম। তারা স্বৈরাচার পতন করে তারা দেখিয়েছে তারা সব কিছু করতে পারে। আমরা যদি এভাবে এগিয়ে যেতো পারি তাহলে তাহলে ঢাকাই হবে আরবির রাজধানী।