নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, অত্যন্ত মনোরম পরিবেশে এই একাডেমি স্থাপিত। আগামীতে মেরিন একাডেমির সার্বিক উন্নয়নে মাস্টার প্ল্যান হাতে নেওয়া হবে। এখানকার অনেক বিল্ডিং সংস্কার করতে হবে। এখানে আরও কিছু ডেভেলপমেন্ট প্রয়োজন। সবমিলিয়ে বাংলাদেশ মেরিন একাডেমিকে আন্তর্জাতিক মানের করা হবে।
সোমবার (২৩ ডিসেম্বর) দুপুরে চট্টগ্রামের আনোয়ারায় অবস্থিত বাংলাদেশ মেরিন একাডেমির ৫৮তম ব্যাচ ক্যাডেটদের শিক্ষা সমাপনী কুচকাওয়াজ পরিদর্শনের সময় নৌ উপদেষ্টা এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা.শাহাদাত হোসেন চৌধুরীসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
তিনি বলেন,মেরিন একাডেমির ৫৮তম ব্যাচের ২৩৮ জন ক্যাডেট সমুদ্রে পদার্পণ করতে যাচ্ছেন। এ ব্যাচের নটিক্যাল শাখায় ১১৮ জন ও ইঞ্জিনিয়ারিং শাখায় ১২০ জন মিলিয়ে ২৩৮ জন ক্যাডেট দুই বছর ধরে শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করেছেন। তারা প্রশিক্ষিত হয়ে দেশি-বিদেশি সমুদ্রগামী জাহাজে যোগদান করবেন। এসব ক্যাডেট বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের পাশাপাশি আমাদের অর্থনীতিতে অবদান রাখতে সক্ষম হবেন।
অনুষ্ঠানে ৫৮ তম ব্যাচ ক্যাডেটদের মধ্যে সর্বোচ্চ কৃতিত্বের জন্য মিনহাজ সাদমানকে রাষ্ট্রপতির স্বর্ণপদকে ভূষিত করা হয়। পাশাপাশি এ বছর সমাপনী পরীক্ষায় সর্বোচ্চ নম্বরধারী নৌ শাখার মো.ইবনে ফয়সাল তানভীর মজুমদার ও প্রকৌশল শাখায় ইফাদ হাসান অনীককে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের রৌপ্যপদক দেওয়া হয়।
নৌ উপদেষ্টা আরও বলেন,আমরা দেশি-বিদেশি শিপিং করপোরেশনগুলোর সাথে কথা বলছি যাতে আমাদের মেরিনারদের কর্মসংস্থানের সুযোগ হয়। ইতিমধ্যে আমাদের মেরিনাররা বিভিন্ন দেশে কাজ করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
একাডেমির বিভিন্ন পরিবর্তনের বিষয়ে নৌ উপদেষ্টা বলেন, একাডেমির সিলেবাসও কিছুটা পরিবর্তন করতে হবে। একই সাথে সিলেকশন পদ্ধতিতেও কিছুটা পরিবর্তন করা হচ্ছে। এ সময় মেরিনারদের বিদেশে গিয়ে দেশের মান রেখে কাজ করার আহ্বান জানান যাতে পরবর্তী মেরিনাররা উপকৃত হতে পারে।