সবাইকে ঐক্য ধরে রাখার আহ্বান জানিয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেছেন, জাতি যদি ঐক্যবদ্ধ শক্তি প্রদর্শন করতে ব্যর্থ হতো তাহলে সবাই আমরা ব্যর্থ হতাম। ৫ আগস্ট জাতি ঐক্যবদ্ধ ছিল বলেই স্বৈরাচার পালিয়েছে। কাজেই আগামীতেও সবাইকে ঐক্য ধরে রাখতে হবে।
আজ বুধবার জাতীয় প্রে সক্লাব মিলনায়তনে জাতীয়তাবাদী টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের (জেটেব) উদ্যোগে ‘রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতের ৩১ দফা : প্রেক্ষিত টেক্সটাইল সেক্টার’ শীর্ষক এই আলোচনাসভায় তিনি একথা বলেন।
জাহিদ হোসেন বলেন, আমাদের ঐক্য ধরে রাখতে হবে। ঐক্য ধরে রাখতে শত্রু চিহ্নিত করুন। দ্রুততার সঙ্গে জনগণকে তার অধিকার আদায়ের সুযোগ দিন। জনগণ সিদ্ধান্ত নেবে দেশ কোন পথে যাবে, আগামী দিনের বাংলাদেশ কেমন হবে।
তিনি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উদ্দেশ্যে বলেন, স্বৈরাচারের দোসররা প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ে আজকে ঘাপটি মেরে আছে। এই দোসররা সুযোগ খুঁজছে ফনা তোলার জন্য। বিভ্রান্ত করার জন্য চেষ্টা করছে, করবে, করতেই থাকবে। কাজেই তাদের বিষদাঁত ভেঙে দিতে স্বৈরাচারের দোসরদের চিহ্নিত করুন। তাদের প্রশাসন থেকে এবং আপনাদের আশ-পাশ থেকে সরিয়ে দেন।
তিনি আরও বলেন, পত্রিকা খুললেই দেখবেন একটা মামলায় (হত্যা মামলা) তাদের (আওয়ামী লীগের) দুইজন নেতাকে আসামি করা হয়েছিল এবং সেখানে তদন্ত চলছে। তদন্ত কর্মকর্তা তাদের বাদ দিয়ে অর্থাৎ ফাইনাল রিপোর্ট দেওয়ার জন্য যখন যাচ্ছে তখন আবার ওই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সেটাকে প্রতিরোধ করেছে।
বিএনপির এই সিনিয়র নেতা বলেন, আমরা ইউনূস স্যারের (অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস) প্রতি আস্থাশীল, পৃথিবীর মানুষের আস্থা আছে। দেশের মানুষ একদম নিঃস্বার্থভাবে সরকারকে সহযোগিতা করছে। কাজেই তাদের (সরকার) সিদ্ধান্ত নিতে হবে একেবারে বলিষ্ঠ, আরো যুগোপযুগী, আরো দ্রুততার সঙ্গে।
জেটেবের সভাপতি ফখরুল আলমের সভাপতিত্বে আলোচনাসভায় বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, আবদুস সালাম আজাদসহ জেটেবের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।