শ্রীপুরে কারখানায় আগুন

অগ্নিদগ্ধ আরও একজনের মৃত্যু, নিহত বেড়ে চার

গাজীপুরের শ্রীপুরে বোতাম তৈরি কারখানার কেমিক্যাল গুদামে আগুনের ঘটনায় আরও একজন মারা গেছে। সাতদিন মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে দগ্ধ আরও এক রংমিস্ত্রির চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে ওই অগ্নিকাণ্ডে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪ জনে। এর আগে ঘটনার দিন অগ্নিকাণ্ডে দগ্ধ হয়ে দুজনের মৃত্যু হয়েছিল।

পরে ঘটনাস্থল থেকে ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা দুটি মরদেহ উদ্ধার করে। এরপর রাতেই আরও একজনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ফায়ার সার্ভিস দুটি ও পুলিশ একটি মরদেহ উদ্ধার করেছিল।

আজ রবিবার (২৯ ডিসেম্বর) সকালে ঢাকায় জাতীয় বার্ন ইউনিটের সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আবদুল রনি (৩০) নামে ওই রং মিস্ত্রির মৃত্যু হয়েছে। নিহত রংমিস্ত্রি রনি গাইবান্ধা সদর উপজেলার মধ্যফজিয়া গ্রামের আবদুল গফুরের ছেলে।

এর আগে ঘটনার দিন ওই আগুনে দিনাজপুরের  হাকিমপুর উপজেলার লোহাচড়া গ্রামের মৃত আবদুর রউফ সরকারের ছেলে সোহাগ সরকার (৩২), গোপালগঞ্জের মোকসেদপুর উপজেলার মহারাজপুর গ্রামের রফিক মাতব্বরের ছেলে শাওন মাতাব্বর (২২) ও লালমনিরহাট সদর উপজেলার তালুকহারাটি গ্রামের মোহাম্মদ বাবুল মিয়ার ছেলে মজমুল হক (২১) আগুনে পুড়ে মারা যায়।

শ্রীপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জয়নাল আবেদীন মণ্ডল জানান, আজ রবিবার সকালে দগ্ধ অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়া রনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। সাতদিন ধরেই তার চিকিৎসা চলছিল। সকালে মারা যায় সে। এখন পর্যন্ত বোতাম তৈরি কারখানার অগ্নিকাণ্ডে মোট চারজনের মৃত্যু হয়েছে।  নিহত চারজনই ওই কারখানায় রংমিস্ত্রির কাজ করতেন।

উল্লেখ্য গত রোববার (২২ ডিসেম্বর) দুপুর দেড়টার দিকে শ্রীপুর পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর ভাংনাহাটি গ্রামের এম অ্যান্ড ইউ ট্রিমস্ লিমিটেড নামের কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। পরে খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সাতটি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। এরপর প্রায় তিন ঘণ্টা চেষ্টা করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা। সে সময় তিনজনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়েছিল।