জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, শিবিরকে নতুন করে যুদ্ধের প্রস্তুতি নিতে বলছি। যার শুরুতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে সাজাতে হবে। যেখানে কোনও অস্ত্রের অবস্থান থাকবে না, মাদকের অবস্থান থাকবে না। যারা মাদক নিয়ে, চাপাতি নিয়ে, অস্ত্র দেখিয়ে টেন্ডারবাজি করতে ঢুকতে চেষ্টা করবে তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ চালিয়ে যেতে হবে।
মঙ্গলবার ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সদস্য সম্মেলনে শুভেচ্ছা বক্তব্যে এই আহ্বান জানান তিনি। তিনি বলেন, শিবিরকে সর্বোচ্চ সেক্রিফাইস করতে প্রস্তুত থাকতেও বলব। আর এই সেক্রিফাইস করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে ইতিবাচক পরিবর্তনে কাজে আসে এমন সকল ক্ষেত্রে এই মানসিকতা রাখতে হবে।
আওয়ামী লীগকে উদ্দেশ্য করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগ এই দেশে যত হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে তার প্রত্যেকটি ঘটনার বিচার করতে হবে এবং তা এই দেশের মাটিতেই হবে। লগি- বৈঠার আন্দোলন থেকে শুরু করে যত রক্ত ঝরিয়েছে যত মানুষ হত্যা করেছে তার ফল এই দলকে ভোগ করতেই হবে। এরা (আওয়ামী লীগ) রাজনীতি করতে পারে না।
তিনি বলেন, নামাজি দেখলেই তাদের শিবির ট্যাগ দিয়ে গ্রেপ্তার আর হত্যা করেছে শেখ হাসিনা আর তার আওয়ামী লীগ। তাই এই ঘটনাগুলো ভুলে গেলে হবে না। শিবির যদি তার সঠিক অবস্থানে থাকে তবে তাদের আল্লাহই রহমত করবে।
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও আওয়ামী লীগের নেতাদের সমালোচনা করে জামায়াতে আমির বলেন, বিজয় দিবসে ভারতের প্রধানমন্ত্রী পোস্ট দিলেন যেখানে বাংলাদেশের নাম নেই। মনে হবে এটা যেন ভারত-পাকিস্তানের যুদ্ধ। তাহলে বাংলাদেশের বিজয় কোথায়? এমন ঘটনার পরও এরা (আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী) কোনও কথা বলেনি। আসলে তারা বাংলাদেশ নিয়ে অন্যের মায়ায় আটকে আছে।
দীর্ঘ ১৪ বছর পর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে প্রকাশ্যে শিবিরের কেন্দ্রীয় সম্মেলনের আয়োজন করেছে সংগঠনটি।