ইউরোপের বলকান অঞ্চলের দেশ মন্টিনিগ্রোর একটি ছোট শহরে রেস্তোরাঁয় বাকবিতণ্ডার জেরে এক ব্যক্তির গুলিতে ১২ জন নিহত হয়েছেন। পরে পুলিশের হাতে ধরা পড়ার ভয়ে আত্মহত্যা করেন আলেকজান্দার আচো মার্টিনোভিচ (৪৫)।
সরকারি আইন কর্মকর্তা আন্দ্রিয়ানা নাস্তিক জানান, বুধবার স্থানীয় সময় বিকালে সেতিঁয়ে শহরের এক রেস্তোরাঁয় বাকবিতণ্ডার জেরে মার্টিনোভিচ প্রথমে গুলি করে চারজনকে হত্যা করেন। এরপর তিনি অন্য তিনটি স্থানে গিয়ে দুটি শিশুসহ আরও আটজনকে গুলি করে মারেন।
পুলিশ জানিয়েছে, মার্টিনোভিচ অতিরিক্ত মদপান করতো আর অবৈধ অস্ত্র রাখার ইতিহাস ছিল তার। ওই রেস্তোরাঁর ক্রেতাদের সঙ্গে ঝগড়া হওয়ার পর সে বাড়িতে গিয়ে অস্ত্র নিয়ে আসে, তারপর গুলি করা শুরু করে।
মন্টিনিগ্রোর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দানিলো সারানোভিচ জানান, বৃহস্পতিবার ভোররাতে সেতিঁয়ে শহরে নিজ বাড়ির কাছে পুলিশ কর্মকর্তারা মার্টিনোভিচকে ঘেরাও করে ফেলার পর তিনি আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। এরপর সঙ্কটজনক অবস্থায় তাকে হাসপাতালে নেওয়ার সময় তার মৃত্যু হয়।
মন্টিনিগ্রোর প্রধানমন্ত্রী মিলোজকো স্পাজিক বন্দুক হামলা ও প্রাণহানির এই ঘটনাকে “ভয়ানক ট্র্যাজেডি” হিসেবে বর্ণনা করেছেন। একইসঙ্গে বৃহস্পতিবার থেকে তিন দিনের জাতীয় শোকও ঘোষণা করেছে তার সরকার।