ভ্যাটের আওতা বাড়াতে এনবিআরের ‘নানামুখী পদক্ষেপ’

রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর দেশের ভোগ্যপণ্য সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) আমদানি ও ব্যবসায়ী পর্যায়ে প্রায় আটটি পণ্যের শুল্কছাড় দিয়েছে। এতে করে রাজস্ব আদায়ে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করে আর্থিক প্রতিষ্ঠানটি। তাই রাজস্ব আহরণে এনবিআর নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যসামগ্রী ছাড়াও অন্যান্য পণ্যের ওপর শুল্ক অব্যাহত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। গতকাল শনিবার গণমাধ্যমকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জনস্বার্থে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদির শুল্ককর হারে ব্যাপক ছাড় দেওয়ার পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ রাজস্ব সংগ্রহ বৃদ্ধি, এসডিজি বাস্তবায়ন এবং জাতি হিসেবে স্বাবলম্বী হওয়ার লক্ষ্যে ভ্যাটের আওতা বৃদ্ধি ও হার যৌক্তিকীকরণের লক্ষ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এতে করে রাজস্ব আদায় ব্যাপকভাবে কমে যায়। তাই নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যসামগ্রী ছাড়া অন্যান্য খাত থেকে রাজস্ব বৃদ্ধি করা না গেলে বিপুল পরিমাণ বাজেট ঘাটতি দেখা দেবে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ভ্যাটের আওতা বৃদ্ধির পাশাপাশি ভ্যাট, সম্পূরক শুল্ক এবং আবগারি শুল্কের হার ও পরিমাণ যৌক্তিকীকরণের মাধ্যমে রাজস্ব সংগ্রহ বৃদ্ধির লক্ষ্যে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের মধ্যবর্তী সময়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে বিশেষ পদক্ষেপ নিতে হচ্ছে। এ ছাড়া মূল্য সংযোজন করের পাশাপাশি আয়করের ক্ষেত্রেও করের আওতা বৃদ্ধির নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে।

এর আগে এনবিআরের এক প্রোগ্রামে বাণিজ্য উপদেষ্টা বলেন, ‘আয়কর অব্যাহতির সংস্কৃতি থেকে ধীরে ধীরে বেরিয়ে আসার ধারাবাহিকতায় আয়কর অব্যাহতির বিধান বাতিল ও সংশোধনের কার্যক্রম এবং প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।