এবার আটটি ইনসেনটিভ বোনাস বা উৎসাহ বোনাসের প্রত্যাশা করছেন রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন সোনালী ব্যাংকের কর্মীরা। এ লক্ষ্যে ব্যাংকটির কর্মকর্তাদের পক্ষ থেকে ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শওকত আলী খানের কাছে একটি লিখিত আবেদনও জমা দিয়েছেন জিয়া পরিষদ সোনালী ব্যাংক কেন্দ্রীয় কমিটির নেতারা।
চিঠিতে বলা হয়, ২০২৪ সালের ফ্যাসিবাদ এবং তৎপরবর্তী নানা প্রতিকূল পরিবেশেও শুধুমাত্র কর্মকর্তা-কর্মচারীদের একাগ্রতা এবং কঠোর পরিশ্রমের ফলেই সোনালী ব্যাংক রেকর্ড পরিমাণ পরিচালন মুনাফা অর্জন করেছে। ব্যাংকের উত্তরোত্তর সমৃদ্ধির লক্ষ্যে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে কর্মস্পৃহা বৃদ্ধির জন্য ২০২৪ সালে অর্জিত মুনাফা থেকে আটটি ইনসেনটিভ বোনাসের সমপরিমাণ অর্থ প্রভিশন সংরক্ষণ রাখা প্রয়োজন।
ওই চিঠিতে সোনালী ব্যাংকের এমডিকে আটটি ইনসেনটিভ বোনাসের সমপরিমাণ অর্থ প্রভিশন সংরক্ষণ রাখার প্রয়োজনীয় নির্দেশ দেওয়ার জন্য জিয়া পরিষদের পক্ষ থেকে অনুরোধ জানানো হয়।
এর আগে ২০২৩ সালের পরিচালন মুনাফা থেকে আমাদের ছয়টি ইনসেনটিভ বোনাসের দাবি ছিল কর্মীদের। গত জুলাই মাসে এ জন্য তৎকালীন এমডি আফজাল করিমের কাছে এ সংক্রান্ত দাবি জানানো হয়। গত ৭ আগস্ট পাঁচটি ইনসেনটিভ বোনাস অনুমোদন করে পরিচালনা পর্ষদ।
ক্ষমতার পালাবদলের পর গত ২০ সেপ্টেম্বর ব্যাংক খাতের সংস্কারের অংশ হিসেবে এক দিনে সোনালী ব্যাংকের এমডি আফজাল করিমসহ রাষ্ট্রায়ত্ত ছয় ব্যাংকের এমডিকে অপসারণ করে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার।আফজাল করিমের বিদায়ের পর গত ৩০ অক্টোবর সোনালী ব্যাংকের এমডি হিসেবে যোগ দেন শওকত আলী খান।