ঢাকা ডায়নামাইটসের হয়ে ২০১৫ সালে বিপিএলে অভিষেক হয়েছিল মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতের। দীর্ঘ ৮ বছরের ক্যারিয়ারে এরপর খেলেছেন কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স, সিলেট সানরাইজার্স, চিটাগং ভাইকিংস এবং দুর্দান্ত ঢাকার হয়ে। গেল আসরে দুর্দান্ত ঢাকার অধিনায়ক থাকলেও ৯ ম্যাচে মাত্র ৯১ রান করা মোসাদ্দেক এবার বিপিএলের ড্রাফট থেকে কোনো দল পাননি। তবে একাদশ আসরের মাঝপথে তাকে দলে টেনেছে ঢাকা ক্যাপিটালস।
দল না পাওয়াটা তার কাছে ছিল অপ্রত্যাশিত। হয়েছিলেন ডিমোটিভেটেড। তবে আশা হারাননি বলে জানান এই ক্রিকেটার।
এক অনলাইন গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে মোসাদ্দেক বলেন, ‘সবার প্রথম অপ্রত্যাশিত লেগেছে। এরপর একটু ডিমোটিভেটেড হয়ে গিয়েছিলাম। স্বাভাবিকভাবে ওই সময় যে খেলাগুলো ছিল চেষ্টা করছিলাম যাতে সব খেলাগুলো খেলতে পারি। এবং তারপর একটা সুযোগের জন্য অপেক্ষা করছিলাম হয়তবা সামনে সুযোগ আসবে চেষ্টা করব ভালো খেলার।’
কদিন আগে লঙ্কা টি-টেন সুপার লিগে হাম্বানটোটা বাংলা টাইগার্সের হয়ে খেলেছেন মোসাদ্দেক। এ ছাড়া জাতীয় ক্রিকেট লিগ টি-টোয়েন্টিতে ঢাকা মেট্রোর হয়ে দুটি ম্যাচ খেলেছেন তিনি। বিপিএলের শুরুতে দল না পেলেও অপেক্ষা করছিলেন। তিনি বলেন, ‘একটা আশা তো সবসময় ছিল। একটা সুযোগের আশায় তো সবসময় ছিলাম। একটা সুযোগ আসলে হয়ত ভালো খেলার চেষ্টা করব। এখানে ভালো খেললে সামনে আরও অনেক খেলা আছে সেখানে সুযোগ থাকবে।’
অবশেষে সেই সুযোগ করে দিয়েছে ঢাকা ক্যাপিটালস। সিলেট পর্বে রংপুর রাইডার্সের বিপক্ষে খেলতে নামার আগে ক্যাপিটালসে যোগ দেন তিনি। ঢাকার হয়ে আবার মাঠে নামতে পেরে কৃতজ্ঞ মোসাদ্দেক। দল পাওয়ার পেছনে প্রধান কোচ খালেদ মাহমুদ সুজনকে কৃতিত্ব দিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি তো অবশ্যই চেষ্টা করব। পুরো কৃতিত্বটাই উনার (সুজন), উনার জন্যই এই দলে আসা। সুতরাং উনার যে প্রত্যাশা আমার প্রতি সেটা পূরণ করার চেষ্টা করব।’
দেশের ঘরোয়া ক্রিকেটে নিয়মিত পারফর্ম করা মোসাদ্দেক নিজের দক্ষতায় ভরসা রাখেন। তিনি বলেন, ‘এটার ভালো দিকও আছে খারাপ দিকও আছে। আমি চেষ্টা করব সামনের দিকে ভালো করার। আমি ভালো খেলতে থাকলে অবশ্যই কেউ আমাকে আটকাতে পারবে না।’
ঢাকার হয়ে নতুন যাত্রায় নিজেকে প্রমাণ করার চ্যালেঞ্জ নিয়ে মাঠে নামছেন মোসাদ্দেক হোসেন।