নিখোঁজের দু’দিন পর ভারতের ত্রিপুরা থেকে জহুর আলী (৬০) নামে একজনের লাশের সন্ধান মিলেছে। মঙ্গলবার (৭ জানুয়ারি) দুপুরে বিজিবি বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
নিহত জহুর আলী (৬০) হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার পশ্চিম ডুলনা গ্রামের মনসুব উল্লাহর ছেলে।
নিহতের পরিবার ও স্থানীয়রা জানান, জহুর আলী ঢাকায় একটি কোম্পানিতে সিকিউরিটি গার্ডের চাকরি করতেন। গত ৪ জানুয়ারি তিনি ছুটিতে বাড়ি আসেন। এসময় বেশ কিছু লুঙ্গি নিয়ে আসেন তিনি। পরদিন রবিবার বিকেলে তিনি লুঙ্গিগুলো বিক্রি করে বাড়ি ফিরবেন বলে পরিবারের সদস্যদের জানিয়ে বের হন। কিন্তু আর ফিরেননি।
সোমবার (৬ জানুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভারতে জহুর আলীর লাশ পাওয়ার বিষয়টি প্রচারিত হয়। তার লাশ ভারতের খোয়াই হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে বলে প্রচার করা হয়। তবে এটি হত্যা নাকি স্বাভাবিক মৃত্যু তাও বলতে পারছেন না কেউ।
বিজিবি হবিগঞ্জ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল তানজিল জানান, জহুর আলী কিছুটা মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন। সোমবার বিজিবি হবিগঞ্জ ব্যাটালিয়নের গুইবিল বিওপির মানিকভান্ডার এলাকা দিয়ে সে ভারতে প্রবেশ করে। ওইদিনই সকাল ১০টার দিকে ভারতের খোয়াই থানার গৌড়নগর এলাকায় রাস্তার পাশে একটি লাশ পরে থাকতে দেখে স্থানীয়রা খোয়াই থানায় খবর দেয়।
খোয়াই থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে। খোয়াই জেলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে। তার মৃত্যুর কারণ উদ্ঘাটনের জন্য সংশ্লিষ্ট থানা তদন্ত করছে বলে জানায় বিজিবি। তদন্ত শেষে লাশ বাংলাদেশ পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলে জানানো হয়।