পটুয়াখালীর বাউফলের বাজেমহল মাধ্যমিক বিদ্যালযের দুর্নীতিবাজ, পলাতক প্রধান শিক্ষক পারভীন বেগমের মিথ্যা ও বানোয়াট অভিযোগের বিরুদ্ধে শিক্ষক, ছাত্র-ছাত্রী ও অভিভাবকদের সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৯ জানুয়ারি) দুপুর ২টার দিকে ওই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক শিব শংকর দাস।
লিখিত বক্তব্যে শিব শংকর বলেন, বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক পারভীন বেগম ৫ আগস্টের পর পলায়ন করেন। সে সুবাদে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বশির গাজী রেজুলেশনের মাধ্যমে আমাকে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে দাযিত্ব বুঝিয়ে দেন। কিন্তু সাবেক প্রধান শিক্ষক বিদ্যালয়ের চাবি ও অন্যান্য কাগজপত্র না বুঝিয়ে দিয়ে বিদ্যালযের যাবতীয় কাগজপত্র তার রুমে তালাবদ্ধ রেখে চাবি নিয়ে আত্মগোপনে চলে যান। এ কারণে বিদ্যালয়ে বেশ সমস্যার সৃষ্টি হয়। পরে সভাপতি সাবেক প্রধান শিক্ষককে বিদ্যালয়ের কোনো দাপ্তরিক কার্যক্রমে অংশগ্রহণ না করে ভিন্ন খাতায় সই-স্বাক্ষর করে প্রধান শিক্ষকের রুমে না গিয়ে সাধারণ শিক্ষকের সাথে আলাদা কক্ষে বসতে নির্দেশ দেন।
তিনি আরও বলেন, গত ২৯ ডিসেম্বর সাবেক প্রধান শিক্ষক বিদ্যালয়ে আসেন। এ সময় তাকে প্রধান শিক্ষকের কক্ষে ঢুকতে না দিলে চিৎকার করে বিদ্যালয় থেকে বেড়িয়ে যান। এরপর তিনি বাউফল থানায় গিয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকসহ ৪ শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ দাখিল করেন। সাবেক প্রধান শিক্ষক পারভীন আক্তার বিদ্যালয়ের নানাভাবে অপপ্রচার ছড়িয়ে বিদ্যালয়ের ভাবমূর্তী বিনষ্ট করছেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত সাবেক প্রধান শিক্ষক পারভিন বেগম বলেন, আমাকে মারধর করা হয়েছে। আমার কাছে রেকর্ড আছে। আমি এখনও ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। আমি প্রতিদিন বিদ্যালয়ে যাই কিন্তু আমাকে ঢুকতে দেওয়া হয় না।
উপজেলার সকল বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের কাউকে বাধা দেওয়া হয় না শুধু আপনাকে কেন বাধা দেওয়া হয়? এমন প্রশ্নের জবাব তিনি এড়িয়ে যান।