এবার ইব্রাহিমের জোড়া

আগের দিন রহমতগঞ্জকে হারিয়ে আবাহনীর জন্য সুযোগ তৈরি করে দিয়েছিল মোহামেডান। কাল চট্টগ্রাম আবাহনীকে হারিয়ে সেই সুযোগটা নিয়েছে ঢাকা আবাহনী। এক লাফে তিন ধাপ ওপরে উঠে এসেছে বিপিএল পয়েন্ট তালিকার দ্বিতীয় স্থানে।

ময়মনসিংহের রফিকউদ্দিন ভুঁইয়া স্টেডিয়ামে শনিবার বন্দর নগরীর দলটিকে ৪-০ গোলে হারিয়েছে আবাহনী। মোহাম্মদ ইব্রাহিম সফল স্পট কিকে দলকে এগিয়ে নেওয়ার পর ব্যবধান দ্বিগুণ করেন এনামুল হোসেন গাজী। পরে ইব্রাহিম নিজের দ্বিতীয় এবং মানিক হোসেন মোল্লার গোলে বড় জয় নিশ্চিত হয় তাদের।

প্রথমার্ধের সাদামাটা পারফরম্যান্সের পর দ্বিতীয়ার্ধে দাপুটে ফুটবল খেলে কাক্সিক্ষত লক্ষ্যে পৌঁছাল তারা। যার শুরুটা অবশ্য হয়েছিল প্রথমার্ধের শেষ দিকে, ৪২ মিনিটে। এক ডিফেন্ডারকে ছিটকে দিয়ে বক্সে ঢুকে পড়া ইব্রাহিমকে ফাউল করেন ফজলে রাব্বী। পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি। নিখুঁত শটে লিগে ব্যক্তিগত গোলের খাতা খোলেন ইব্রাহিম। আগের ম্যাচে ফেডারেশন কাপে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মোহামেডানের বিপক্ষে ১-০ ব্যবধানে জয়ের গোলটিও করেছিলেন ২৭ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড।

দ্বিতীয়ার্ধে দুটি আক্রমণের সুর বেঁধে দেন শাহরিয়ার ইমন; আক্রমণের পূর্ণতা দেন এনামুল ও ইব্রাহিম। ৫২ মিনিটে ডান দিকে দিয়ে আক্রমণে ওঠা ইমনের ক্রস আটকাতে পোস্ট ছেড়ে বেরিয়ে আসেন চট্টগ্রাম আবাহনী গোলকিপার মোহাম্মদ নাঈম; কিন্তু ব্যর্থ হন তিনি। গোলমুখে পাওয়া বল আলতো টোকায় জালে জড়িয়ে দেন এনামুল।

৬৬ মিনিটে মাঝমাঠের ওপর থেকে দারুণ রক্ষণ চেরা পাস বাড়ান ইমন। দুই ডিফেন্ডারের ফাঁক গলে বেরিয়ে দারুণ শটে নাঈমের পাশ দিয়ে লক্ষ্যভেদ করেন ইব্রাহিম।

পাঁচ মিনিট পর আরেক গোলে ম্যাচ থেকে ছিটকে যায় চট্টগ্রাম আবাহনী। মিরাজুল ইসলামের কর্নারে কেওয়াসি ডায়মন্ড হেড করলে বল ওপরে উঠে যায়, এরপর জটলার মধ্য থেকে মোহাম্মদ হৃদয়ের শট প্রতিহত হওয়ার পর বল চলে যায় আসাদুলের পায়ে। একটু আগেই ইমনের বদলি নামা এই মিডফিল্ডার নিচু শটে বল পৌঁছে দেন ঠিকানায়। তাতে নিশ্চিত হয়ে যায় আবাহনীর পঞ্চম জয়।

লিগের সাত রাউন্ডে শেষে পাঁচ জয় ও এক ড্রয়ে ১৬ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে আবাহনী। শীর্ষের মোহামেডানের চেয়ে ৫ পয়েন্টে পিছিয়ে তারা। রহমতগঞ্জ ১৫ পয়েন্ট নিয়ে নেমে গেছে তৃতীয় স্থানে। ব্রাদার্সের সংগ্রহ ১৪, বসুন্ধরা কিংসের ১৩। চট্টগ্রাম আবাহনী সবগুলো হেরে রয়েছে তলানিতে।