বিষয়টা প্রথমে সামনে আনেন তামিম ইকবাল। গত ৬ জানুয়ারি বিপিএলের সিলেট পর্বে দুর্বার রাজশাহীর বিপক্ষে ফরচুন বরিশালকে জিতিয়ে অধিনায়ক তামিম বলেছিলেন, চার-ছক্কা বাড়াতে বাউন্ডারি লাইন ছোট করার কোনো মানেই হয় না। তিনি আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী বড় সীমানা দেখতে চেয়েছিলেন। কিন্তু সীমানা কমিয়েও কি আইপিএলের সঙ্গে পাল্লা দিতে পারছে বিপিএল?
চলতি বিপিএলে গত ৬ জানুয়ারি সিলেট স্ট্রাইকার্স-রংপুরের রাইডার্সের ম্যাচে ছক্কা হয়েছে ৩১ টি। বিপিএলের ইতিহাসে কোনো ম্যাচে এটি সর্বোচ্চ ছক্কার রেকর্ড। এর মধ্যে ১৫টি ছক্কা মারেন রংপুরের ব্যাটাররা, আর ১৬টি মেরেছে ম্যাচটি হেরে যাওয়া সিলেট। এখন পর্যন্ত ২০টি ম্যাচে মোট ছক্কা হয়েছে ৩৪২টি, যেখানে বিশ্বের শীর্ষ ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ আইপিএলের গত আসরে মোট ১২৬০টি ছক্কা দেখা গেছে!
সিলেট পর্ব শেষে বিপিএলে আর বাকি আছে ২৬টি ম্যাচ। আইপিএলকে ছাড়িয়ে যেতে হলে ওই ম্যাচগুলোতে মোট ৯১৯টি ছক্কা মারতে হবে দলগুলোকে, যা আপাতদৃষ্টিতে অসম্ভব বলেই প্রতীয়মান হচ্ছে। কারণ, বিপিএলে মানসম্পন্ন কোনো হার্ডহিটার ক্রিকেটার নেই বললেই চলে। গত আইপিএলে ব্যাটসম্যানদের সমন্বিত স্ট্রাইক রেট ছিল ১৫০.৫৮, যেটা এবারের বিপিএলে ১৪০.৪৩।
রেকর্ড বলছে, ২০ ম্যাচ শেষে সর্বোচ্চ ১৬টি করে ছক্কা মেরেছেন রংপুর রাইডার্সের খুশদিল শাহ, দুর্বার রাজশাহীর ইয়াসির আলী রাব্বি এবং ঢাকা ক্যাপিটালসের তানজিদ হাসান তামিম। এর মাঝে খুশদিল ৫ ইনিংস, ইয়াসির ৬ ইনিংস আর তানজিদ ৭ ইনিংস ব্যাট করেছেন। এক ইনিংসে সর্বোচ্চ ৯টি ছক্কা মেরেছেন ঢাকার সাব্বির রহমান, গত ৯ জানুয়ারি চিটাগং কিংসের বিপক্ষে।