হৃতিকের কোমর ভেঙে যাওয়ার শব্দ শুনতে পেয়েছিলেন আমিশা

ছবিটির বয়স পেরোল ২৫ বছর। রজত জয়ন্তীর উদযাপনে মেতেছেন ছবির নায়ক-নায়িক হৃতিক রোশন এবং আমিশা প্যাটেল। সেলিব্রেশনের একটি অংশই ছিল প্রেক্ষাগৃহে ‘কহো না পেয়ার হ্যায়’ ছবির পুনরায় রিলিজ। 

ফের একবার বড় পর্দায় ২৫ বছর পুরনো ছবিটিকে নিয়ে উন্মাদনায় ভাসল অনুরাগীরা। ১০ জানুয়ারি ২০০০ সালে মুক্তি পায় রাকেশ রোশন পরিচালিত ‘কহো না পেয়ার হ্যায়’। আর মুক্তির পরই রাতারাতি দেশের সেনসেশন হয়ে ওঠেন হৃতিক-আমিশা। আর তারপর..বাকিটা ইতিহাস!

ছবিতে হৃতিকের ডান্স মুভস এবং ধুন্ধুমার অ্যাকশন ভূয়সী প্রশংসা কুড়োয়। সম্প্রতি ছবির ক্লাইম্যাক্স শুটিং নিয়ে সাক্ষাৎকারে এক অজানা তথ্য প্রকাশ্যে আনেন অভিনেত্রী আমিশা প্যাটেল। ‘কহো না পেয়ার হ্যায়’ ছবিটি মাত্র, দু’বছরে তৈরি হয়, কথা প্রসঙ্গে বলেন ক্লাইম্যাক্স সিনে ঘটে যাওয়া এক দুর্ঘটনার কথা। তিনি বলেন, ‘হৃতিকের কোমর ভেঙে গিয়েছিল!’ 

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা যখন ক্লাইম্যাক্স শুট করছিলাম, যখন একটি গুরুত্বপূর্ণ অ্যাকশন সিকোয়েন্স শুট হচ্ছিল। সিনে হৃতিককে একটি বিশাল লাফ দিতে হতো এবং ও যখন লাফ দিত, তখন আমরা ভীষণ ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম। কারণ ঠিক সেই সময়ে হৃতিকের কোমর ভেঙে যায়, আমি ওই আওয়াজটা পর্যন্ত শুনেছিলাম। ও পড়ে যায় এবং ওর পিঠও ভাঙে। মনে আছে, আমরা ভোর তিনটার সময়  তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাই।

আমিশা বলেন, ‘কহো না পেয়ার হ্যায় ছবিটা ছ’মাস পিছিয়ে যায়, কারণ কোমর ভেঙে হৃতিক বিছানা থেকে উঠতেই পারেনি, ওর বিশ্রামের প্রয়োজন ছিল। আমরা ফিরে আসি ছ’মাস পরে, রাকেশ কাকাও একই সেটে শুরু করেছিলেন। অবশ্যই, এতে প্রচুর টাকাও খরচ হয়ে  আর্থিক ক্ষতিও হয়েছিল’

‘কহো না পেয়ার হ্যায়’ ছবিটি পরিচালনা করেছিলেন হৃতিকের বাবা রাকেশ রোশন। শেষ মুহূর্তে আমিশাকে এই ছবিতে অভিনয়ের জন্য বেছে নেওয়া হয়, কারণ ঠিক ছিল ঋত্বিকের সঙ্গে করিনা কাপুর বলিউডে ডেবিউ করবেন। তবে, কয়েক দিন শুটিংয়ের পর করিনা ছবিটি ছেড়ে বেরিয়ে যায় এবং পরে জেপি দত্তের ‘রিফিউজি’ ছবিতে অভিষেক বচ্চনের সঙ্গে বলিউডে পা রাখেন।