তানজিদ হাসানের দুর্দান্ত হাফ সেঞ্চুরিতেও প্রতিরোধ গড়তে ব্যর্থ ঢাকা ক্যাপিটালস। বরিশালের হয়ে তামিম ইকবাল ও ডেভিড মালানের দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ের সুবাদে ১৬ ওভারেই ৬ উইকেটের সহজ জয় তুলে নেয় ফরচুন বরিশাল।
ঢাকার হয়ে ওপেনার তানজিদ হাসানের ৪৪ বলে ৬২ রানের ইনিংসই দলকে ১৩৯ রানের সংগ্রহ এনে দেয়। তবে দলের ব্যাটিং ব্যর্থতায় সঙ্গী হতে পারেননি অন্যরা। ইনিংসের শুরুতেই রিপন মন্ডলের বলে ১৭ রান করে ফিরে যান লিটন দাস। এরপর মুনিম শাহরিয়ার ও থিসারা পেরেরার মতো গুরুত্বপূর্ণ ব্যাটাররাও ব্যর্থ হন।
তানভির ইসলাম ও ফাহিম আশরাফের দাপুটে বোলিংয়ে ১৯.৩ ওভারে মাত্র ১৩৯ রানেই থেমে যায় ঢাকার ইনিংস। শেষদিকে ফারমানুল্লাহ শাফির ১৬ বলে ২২ রানের ইনিংস দলকে সম্মানজনক সংগ্রহ এনে দেয়।
১৪০ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে দ্বিতীয় ওভারেই নাজমুল হোসেন শান্তকে হারায় বরিশাল। আবু জায়েদ রাহীর অফ স্টাম্পের বাইরে করা ডেলিভারিতে শান্ত মাত্র ২ রান করে প্যাভিলিয়নে ফেরেন। তবে এরপর থেকেই ম্যাচের পুরো নিয়ন্ত্রণ নেন তামিম ইকবাল ও ডেভিড মালান।
পাওয়ার প্লে'তে এক উইকেটে ৪৭ রান করা বরিশালকে কোনোভাবেই আটকে রাখতে পারেনি ঢাকার বোলাররা। তামিম-মালানের ১১৭ রানের জুটি জয় নিশ্চিত করে দেয়। তামিম হাফ সেঞ্চুরি পূরণ করে থিসারা পেরেরার এক ওভারে চার-ছক্কা হাঁকান। তবে সেই ওভারের শেষ বলেই দুর্দান্ত ইয়র্কারে বোল্ড হন তামিম। ফেরার আগে ৪৮ বলে ৬১ রানের ইনিংস খেলেন বরিশালের অধিনায়ক।
অপর প্রান্তে ডেভিড মালান ৪৯ রানে অপরাজিত থেকে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন। শেষদিকে জাহানদাদ খান চার বলে দুটি ছক্কায় ১৩ রানে অপরাজিত থাকেন।
বরিশালের অধিনায়ক তামিম ইকবালের দাপুটে ইনিংস এবং মালানের দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে সহজ জয় তুলে নেয় বরিশাল। ঢাকার বোলিং ইউনিটের পরিকল্পনাহীন পারফরম্যান্স এবং অতিরিক্ত রান দেওয়ায় আরও সহজ হয় বরিশালের জয়।
এই জয়ের মাধ্যমে পয়েন্ট টেবিলে নিজেদের অবস্থান আরও শক্তিশালী করলো ফরচুন বরিশাল। অন্যদিকে, ব্যাটিং-বোলিং উভয় বিভাগেই ঢাকার দুর্বলতা তাদের শীর্ষ চারের লড়াই থেকে অনেকটাই দূরে ঠেলে দিয়েছে।