প্রথম বিপিএল সেঞ্চুরির দিনে বিজয়ের হতাশা

রাজশাহীর নেতৃত্বে দুর্দান্ত এক ইনিংস খেললেন এনামুল হক বিজয়। ক্যারিয়ারের প্রথম বিপিএল সেঞ্চুরি করেও জয়ের স্বাদ পাননি তিনি। খুলনার বিপক্ষে ৭ রানে হারতে হয়েছে তার দলকে। আফিফ হোসেনের গুরুত্বপূর্ণ ক্যাচ মিসে সুযোগ পাওয়া বিজয় সেই জীবন কাজে লাগিয়ে দলকে জয়ের পথে এগিয়ে নিলেও শেষ পর্যন্ত হাসান মাহমুদের দুর্দান্ত বোলিংয়ে পরাজিত হয় রাজশাহী।

মোহাম্মদ নাওয়াজের অফ স্টাম্পের লেংথ ডেলিভারিতে এক্সট্রা কভারের উপর দিয়ে খেলতে গিয়ে ক্যাচ তুলে দেন বিজয়। সহজ ক্যাচটি তালুবন্দি করতে ব্যর্থ হন আফিফ হোসেন। তখন বিজয়ের রান ছিল মাত্র ৭। সেই জীবন পেয়ে হাত খুলে খেলতে থাকেন রাজশাহীর অধিনায়ক।

৩৩ বলে হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করে আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠেন বিজয়। রায়ান বার্লের সঙ্গে তার জুটিও দারুণ জমে উঠেছিল। তবে ১৯তম ওভারে সালমান ইরশাদের স্কুপ করতে গিয়ে হাসান মাহমুদের দুর্দান্ত ক্যাচে ২৫ রানে ফিরতে হয় বার্লকে।

শেষ ওভারে রাজশাহীর প্রয়োজন ছিল ১৭ রান। প্রথম দুই বলে ৬ রান তুলে আশা জাগান বিজয়। তবে তৃতীয় বলে রান বের করতে না পারা এবং চতুর্থ বলে নাওয়াজের ক্যাচ মিসে দুই রান নেওয়া সত্ত্বেও পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে যায়। পঞ্চম বলে হাসানের ইয়র্কারে কোনো রান না তুলতে পারায় শেষ বলে প্রয়োজন ছিল ৯ রান।

সেই বলে সিঙ্গেল নিয়ে নিজের সেঞ্চুরি পূর্ণ করলেও দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছাতে পারেননি বিজয়। তার ৬১ বলে ১০৩ রানের ইনিংসও ব্যর্থ হয় খুলনার ৭ রানের জয় নিশ্চিত করতে।

রাজশাহীর জয় আটকাতে শেষ মুহূর্তে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেন ডানহাতি পেসার হাসান মাহমুদ। তার দুর্দান্ত ইয়র্কার আর চাপ সামলানোর দক্ষতায় ম্যাচ নিজেদের করে নেয় খুলনা।

সেঞ্চুরির মতো বড় অর্জনের দিনে দলকে জয় এনে দিতে না পারার হতাশা নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয় এনামুল হক বিজয়কে।