বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার সদর ইউনিয়নের ফুলতলী সীমান্তে মিয়ানমারের ভেতরে মাইন বিস্ফোরণে আলী হোসেন নামে একজন বাংলাদেশির পা বিচ্ছিন্ন হয়েছে। অপরদিকে দৌছড়ি ইউনিয়নে মো. রাশেল (৩০) নামে আরও একজন মাইন বিস্ফোরণে গুরুতর আহত হয়েছে ।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মুহাম্মদ মাজহারুল ইসলাম চৌধুরী। তিনি বলেন স্থানীয় বাসিন্দারা তাদের উদ্ধার করে কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেছে।
শুক্রবার (২৪ জানুয়ারি) ভোরে ফুলতলী সীমান্তের ৪৭-৪৮ পিলারের মধ্যবর্তী জায়গায় এ বিস্ফোরণ ঘটে। এতে আশঙ্কাজনক অবস্থায় আলী হোসেনকে কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
আহত ব্যক্তি হলেন, নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার আছারতলী ৮ নং ওয়ার্ডের মোহাম্মদ হোসেনের ছেলে আলী হোসেন (৩৫)।
স্থানীয়রা জানায়, বিস্ফোরণে আহত আলী হোসেন মিয়ানমারের অভ্যন্তরে অবৈধভাবে অনুপ্রবেশ করে গরু আনতে গিয়েছিল। সেখানে আরাকান আর্মি ও মিয়ানমার সেনাবাহিনীর পুঁতে রাখা স্থলমাইন বিস্ফোরণে গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি করে।
অপরদিকে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে নাইক্ষ্যংছড়ি দোছড়ি ইউনিয়নের ৪৯নং পিলারে মাঝামাঝি স্থানে মুজিবুর রহমানের ছেলে মো. রাসেল (৩০) মায়ানমার সীমান্তে মাইন বিস্ফোরণে আহত হয়েছে।
নাইক্ষ্যংছড়ি সদর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য শামসুল আলম জানান, খবর পেয়ে আহত আলী হোসেনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেছেন স্থানীয়রা। মাইন বিস্ফোরণের ঘটনার পরে সীমান্তে বিজিবি নিরাপত্তা জোরদার করেছে।
নাইক্ষ্যংছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাসরুরুল হক জানান, সকাল ৬ টার দিকে একটি ও ১০টার দিকে একটি বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে স্থলমাইন বিস্ফোরণ হয়েছে শুনেছি। এতে আহত দুইজনকে তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়া হয়েছে।